জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ৩৯০ রানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে মুশফিকদের করা ৫০৩ রানের জবাবে এক উইকেট হারিয়ে ১১৩ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে সফরকারীরা।

বৃহস্পতিবার জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে মাত্র ৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। অবশ্য অতি সহজেই উইকেটটি পায়নি বাংলাদেশ। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই উইকেট পেল টাইগাররা। রুবেল হোসেনের বল ব্রিয়ান চারির ব্যাট ছুঁয়ে যায়। আর সেটা গ্লাভস বন্দী করতে ভুল করেননি উইকেটরক্ষক মুশফিক। সেই সঙ্গে আউটের জোর আবেদন করেন তিনি। কিন্তু আম্পায়ার সাড়া না দেয়ায় রিভিউ'র সিদ্ধান্ত নেন এই অধিনায়ক। অবশেষে তার দাবিই সত্যিই হলো।

রানের খাতা খোলার আগে ব্রিয়ান চারি মাঠ থেকে বিদায় নিলেও সিকান্দার রাজা ও হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ১০৪ রানের জুটি গড়ে তোলেন। তৃতীয় দিনে ৫৪ রান নিয়ে সিকান্দার ও ৫১ রান নিয়ে মাসাকাদজা ক্রিজে নামবেন।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ৫০৩ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল ও ইমরুলে কায়েসের জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রথম দিনটি বেশ দাপটের সঙ্গে পার করলেও দ্বিতীয় দিনে বেশি সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ।

এদিন ৩০৩ রান নিয়ে খেলা শুরু করে টাইগাররা। হাতে ছিল আট উইকেট। কিন্তু জিম্বাবুয়ের বোলারদের দাপটে আর মাত্র ২০০ রান সংগ্রহ করতেই সব উইকেট হারায় মুশফিকরা।

৪৬ রান নিয়ে খেলা শুরু করা মুমিনুল হক দুই রান করেই মাঠ থেকে বিদায় নেন। এরপর একই পথের পথিক হন পাঁচ রান নিয়ে মাঠে নামা মাহমুদুল্লাহ (১৬)। ১৫ রান করে সাজঘরে ফিরে যান দলনেতা মুশফিক।

তবে সমর্থকদেরকে আশার আলো দেখান সাকিব আল হাসান। শুভাগত হোমকে নিয়ে সফরকারী বোলারদেরকে পরাস্ত করে হাফ-সেঞ্চুরি পার করেন তিনি। তবে ৭১ রান করে এই অল রাউন্ডার বিদায় নেয়ার পর দ্রুতই আরো দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

৩৫ রান করে শুভাগত হোম রান আউটের ফাঁদে পড়েন। তবে শেষ দিকে দলের হাল ধরেন রুবেল হোসেন। শেষ পর্যন্ত ৪৫ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন তিনি।

জিম্বাবুয়ের বোলার সিকান্দার রাজা সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট পান। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন পানিয়ানগারা, হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও শিঙ্গি মাসাকাদজা।

জেডআই/জেআই