ফিফা সভাপতি সেপ ব্লাটার অভিযোগ করে বলেছেন যে উয়েফা সভাপতি মিশেল প্লাতিনি তাকে জেল খাটানোর হুমকি দিয়েছেন। ফিফা পরিচালনা পরিষদের সভাপতির প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে না আসলে জেল খাটানোর হুমকি দিয়েছিলেন তিনি।
ডাচ পত্রিকা ডি ভকসকারন্ত কে দেয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে ব্লাটার এ অভিযোগ করেন। যেখানে তিনি বলেছেন, ফিফা সভাপতির লড়াইয়ে প্লাতিনির বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে না আসলে তাকে জেল খাটতে হবে। তবে এ বিষয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি তাদের সুত্রের মাধ্যমে প্লাতিনির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ওই দাবিটিকে ‘হাস্যকর’ বলে মন্তব্য করেছেন।
ব্লাটার বলেনে যে গত মে মাসে জুরিখে অনুষ্ঠিত ফিফা কংগ্রেস চলাকালে তিনি তার বড় ভাই ৮০ বছর বয়সী পিটারকে ক্রন্দনরত অবস্থায় দেখতে পান। ওই কংগ্রেসে ৭৯ বছর বয়সী ব্লাটার ৫ম বারের মত ফিফা সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে অবশ্য তিনি পদত্যাগ করেন।
ব্লাটার বলেন, ‘মধ্যাহ্ন বিরতীর সময় প্লাতিনি আমার ভাইয়ের টেবিলে বসেন এবং বলেন, ব্লাটারকে বলবেন তিনি যেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। অন্যথায় তাকে জেলে যেতে হবে।’
ব্লাটারের দাবি-প্লাতিনি নির্বাচনের আগে এই কথা বললেও অনেক পরে তার ভাইয়ের কাছ থেকে তিনি ঘটনাটি জানতে পেরেছেন।
এদিকে প্লাতিনির ঘনিষ্ট একটি সুত্র এএফপি’কে বলেছেন যে, ‘জুরিখ থেকে সবার নজর ভিন্ন দিকে সরানোর জন্য ব্লাটারের ধারবাহিক কিছু কর্মকান্ডের নতুন সংযোজন হচ্ছে এটি। উয়েফা সভাপতির এরকম ‘হাস্যকর’ অভিযোগের বিষয়ে নজর দেবার মত বা এর জবাব দেবার মত কোন ফুরসত নেই।’
আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য ফিফার পুন:নির্বাচনে ৬০ বছর বয়সী প্লাতিনির জনপ্রিয়তা এবং সফল হবার সম্ভাবনা দেখে ব্লাটার ধারবাহিকভাবে তাকে বিশ্বাস ঘাতক হিসেবে আখ্যায়িত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ব্লাটার তার ওই যুক্তির সপক্ষে বলেন, ‘আপনারা জানেন একটা সময় ছিল, যখন আমাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল পিতা-পুত্রের মত। ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপের পর ফিফায় তিনি আমর জন্য চার বছর কাজও করেছেন। আমরা যৌথভাবে তার জন্য উয়েফা ও ফিফার সদস্যপদও সৃস্টি করেছিলাম। ২০০৭ সালে তিনি উয়েফার সভাপতিও নির্বাচিত হয়েছেন। যেখানে আমি তাকে সরাসরি সমর্থন দিয়েছি।’
জেডআই





