কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট পেতে সোমবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টায় অ্যাডিলেডে শুরু হবে এই দুই দলের লড়াই।
ইতোমধ্যে চলতি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে চারটি ম্যাচে অংশ নিয়েছে ইয়ন মর্গানের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড। তন্মধ্যে একটি মাত্র ম্যাচে জয়লাভ করেছে। ফলে বিশ্বকাপের স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে হলে বাংলাদেশের বিপক্ষের ম্যাচটি সহ বাকী দুই ম্যাচে অবশ্যই জয়লাভ করতে হবে ইংলিশদের।
শেষ দুটি ম্যাচে জয় পেলেই যে ইংল্যান্ডের শেষ আটে জায়গা হবে তা নয়। দুটি ম্যাচে জয়লাভের পরও তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচটির দিকে। ওই ম্যাচেও যদি টাইগাররা সহ-আয়োজকদের বিপক্ষে জিতে যায় তাহলে দেশের বিমান ধরতে হবে ক্রিকেট বিশ্বের কুলিন দেশটির।
ফলে মহা চাপ নিয়েই মাঠে নামেতে হবে ইংলিশদের। এ বিষয় দলটির কোচ পিটার মুর রোববার বলেন, ‘দলগতভাবে আমরা চাপের মধ্যে রয়েছি। কারণ (বিগত ম্যাচগুলোতে) আমরা আমাদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারিনি। এখন আমাদের ভাল খেলতেই হবে। আমরা জানি এই ম্যাচে আমাদের জয়লাভ করতেই হবে।"
প্রবল চাপের মধ্যে থাকা ইংলিশ কোচ বলেন, ‘তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য বিশ্বকাপ হচ্ছে শিক্ষা নেয়ার ভাল একটি মঞ্চ। তারা জানে নিজেদের প্রমান করার জন্য এটি হচ্ছে সর্বোচ্চ জায়গা। শীর্ষ ব্যক্তিরাই এরকম ম্যাচে অংশ গ্রহন করার যোগ্যতা রাখে। এ বিষয়ে আপোষ করার কোন সুযোগ নেই। আমাদের দলে কিছু সিনিয়র তারকা রয়েছে, যাদের কাজ হচ্ছে অন্যদের সহায়তা করা।"
এদিকে ২০১১ বিশ্বকাপে নিজেদের মাটিতে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার সেই জয়ের ধারা অব্যাহত রাখার মিশন তাদের। সেই সঙ্গে স্বপ্ন কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করা।
চলতি বিশ্বকাপে চার ম্যাচে মাত্র একটিতে হেরেছে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের সঙ্গে জয়ের পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বৃষ্টি বাধায় অর্জন করেছে এক পয়েন্ট। স্কটল্যান্ডের দেয়া বড় স্কোর তাড়া করে মোট ৫ পয়েন্ট অর্জন করে শেষ আটে খেলার পথটি মসৃন করে নিয়েছে তারা।
এবার ইংল্যান্ডকে হারালে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হবে লাল-সবুজবাহিনীর। ম্যাচটিতে হেরে গেলেও সুযোগ থাককে আরো এক ম্যাচ। শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পারলেও খেলা যাবে নক আউট পর্বে। তবে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে নিজেদেরকে চিন্তামুক্ত করতে চাচ্ছে এশিয়ার দলটি।
জেডআই





