জাতীয় দলের প্রায় প্রতিটি সতীর্থই ব্যাস্ত রয়েছেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ নিয়ে। জাতীয় দলের ব্যস্ততা না থাকায় প্রায় সবাই খেলছেন প্রিমিয়ার লিগ। অথচ একজনকে সময় কাটাতে হচ্ছে নীরবে-নিবৃতে, বিসিবি অ্যাকাডেমির জিমনেশিয়ামে। মোস্তাফিজুর রহমান।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজেদুল ইসলাম এবং ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়নের অধীনে পূনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে তার।
আইপিএল খেলে দেশে ফেরার পর ছুটি নিয়ে গিয়েছিলেন নিজের গ্রামের বাড়ি। সেখানে এক সপ্তাহেরও অধিক সময় কাটিয়ে ঢাকায় ফেরার পর শুরু হয় মোস্তাফিজের পূনর্বাসন প্রক্রিয়া। প্রথমে বলা হয়েছিল ২ সপ্তাহ, বড়জোর তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে তার পুরোপুরি ফিট হওয়ার জন্য। তবে এখন জানা যাচ্ছে, না দুই সপ্তাহ নয় তার পুরোপুরি সুস্থ হতে সময় লাগবে ৬ সপ্তাহ। ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়ন এই তথ্য জানিয়েছেণ আজ।
আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দারাবাদের হয়ে খেলেছিলেন মোস্তাফিজ। দলকে চ্যাম্পিয়ন করার পথে রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। সর্বশেষ আপিএলের ফাইনাল খেলেছেন ২৯ মে। এরপর দিন দুটি ইনজুরিকে সঙ্গে করে তিনি দেশে ফিরে আসেন। একটি সাইড স্ট্রেইনের ইনজুরি এবং অন্যটি গোড়ালির ইনজুরি।
ইনজুরিগুলো একটু একটু করে সেরে যাচ্ছে। তাড়া ছিল কাউন্টিতে সাসেক্নের হয়ে খেলতে যাওয়ার। তবে খুব সহসাই যে তার ইংল্যান্ড যাওয়া হচ্ছে না, সেটা বোঝাই যাচ্ছে। বিসিবির ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়ন বলেন, ‘আমরা প্রতি সপ্তাহেই তার ফিটনেসের উন্নতির বিষয়টা পর্যবেক্ষণ করছি।
আগামী সপ্তাহে আবার পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর আবারও বলতে পারবো তার কী অবস্থা। তবে এই সপ্তাহের পরীক্ষায় যা বোঝা যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে অন্তত ৬ সপ্তাহ তার সময় লেগে যাবে পুরোপুরি ফিট হতে। তবে, এটা ঠিক, তার ফিটনেসের উন্নতি হচ্ছে খুব দ্রুত।’
আগামী শনিবারই তার ফিটনেস টেস্ট হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও মারিও ভিল্লাভারায়নের কথায় বোঝা যাচ্ছে, এই টেস্টের ফল ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা কম। তাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আগামী ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা তো নেই’ই। এমনকি কাউন্টিতেও তার যাওয়াটা আবার অশ্চিয়তার ঘেরাটোপে আটকে গেলো।
এমআর





