টানা খেলার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। সেই শ্রীলংকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ থেকে শুরু করে এশিয়া কাপ এবং সবশেষ বর্তমানে চলমান টি২০ বিশ্বকাপ। তবে গোটা দল খেলার মধ্যে থাকলেও ইনজুরির কারণে মোটামুটি বিশ্রামেই ছিলেন টাইগার দলের ওপেনিং ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল।
শেষ পর্যন্ত টি২০ বিশ্বকাপের অনুশীলন ম্যাচের মাধ্যমে দলে ফিরে মোটামুটি ধারাবাহিক ব্যাটিংয়ের মধ্যেই ছিলেন তিনি। টি২০ ফর্মেটের প্রতিটি ম্যাচের ওপেনিংয়ে ভাল একটা সংগ্রহ উপহার দিয়েই সাজঘরে ফিরছিলেন তিনি। যদিও মাঝারিমানের সংগ্রহই এসেছে তার ব্যাট থেকে। তারপরও ওপেনিংয়ে তার আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ভর করে দুই অনুশীলন ম্যাচের পাশাপাশি টি২০ বিশ্বকাপের ১ম পর্বের দু’টি ম্যাচেই জয়লাভ করেছে টাইগাররা।
তবে চট্টগ্রামের মাটিতে আজ বৃহস্পতিবার হংকংয়ের বিপক্ষে ১ম পর্বের শেষ ম্যাচটি ছিল তার জন্য অন্য রকম। কারণ আজ ছিল তার জন্মদিন। ১৯৮৯ সালের ২০ মার্চ এই চট্টগ্রামেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন তামিম ইকবাল। সেই হিসেবে আজ ছিল তামিমের ২৫তম জন্মদিন।
এই জন্মদিনকে ঘিরে দুর্বল হংকংয়ের বিপক্ষে তামিমের ব্যাট থেকে বড় একটি সংগ্রহ প্রত্যাশা ছিল স্থানীয় তামিম অনুরাগীদের। দীর্ঘদিন ধরে বড় সংগ্রহের বাইরে থাকা তামিমের ব্যাট থেকে সেঞ্চুরি কিংবা হাফ সেঞ্চুরির প্রত্যাশা ছিল সবার।
তবে ভক্তদের প্রত্যাশার পথে ছিলেন না তামিম। ধরলেন একেবারেই ব্যতিক্রমী একটি পথ। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে আসা বাংলাদেশ দলের এই ওপেনার শূন্য হাতেই ফিরলেন সাজঘরে। সফরকারী দলের ওপেনিং বোলার তানভির আফজালের বলে সরাসরি বোল্ড আউট হয়েই ফিরে যেতে হয়েছে তামিমকে। ওভারের দ্বিতীয় বলে সরাসরি বোল্ড আউট হন তামিম। ফলে নিজের এবং দলের রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান তামিম ইকবাল। একই ওভারে অবশ্য স্বাগতিক দলের আরেক ব্যাটসম্যানকেও মাঠছাড়া করেছেন হংকংয়ের ওই পেসার। ওভারের শেষ বলে এলবিডাব্লিউর ফাঁদে ফেলে সাব্বির ইকবালের উইকেটটিও নিজের সংগ্রহশালায় পুরে নেন তানভির।