ভারতের মতো একই অবস্থা এখন বাংলাদেশের। সকালে ব্যাট করতে নেমে আট রানে তিন উইকেট হারিয়েছিল ভারত। আর এখন ১৩ রানে তিন উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।
তিন রানে প্রথম উইকেটের পতন হয়। দ্বিতীয় ওভারে দুটি উইকেট হারায় বাংলাদেশের যুবারা।
মাত্র ১০৭ রান তাড়া করতে নেমে আসা যাওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ব্যাটিং লাইন আপ।
ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বোলাররা অসাধারণ পারফরম্যান্সে যুব এশিয়া কাপের শিরোপাটা নিজেদের কাছেই রেখে দিলো।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন অধিনায়ক আকবর আলী। ভারেতের পক্ষে আঙ্কোলেকার ৫টি এবং আকাশ সিং ৩টি উইকেট তুলে নেন।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশি যুবাদের বোলিং তোপে মাত্র ১০৬ রানেই গুটিয়ে যায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের ইনিংস। ৩টি করে উইকেট নিয়ে ভারতের ইনিংসে ধস নামান মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ও শামীম হোসাইন। ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ করণ লাল ৩৭ ও জুরেল ৩৩ রান করেন।
জবাবে ১০৭ রানের ছোট স্কোর তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। দলীয় ৩ রানের মাথায় শূন্য রানেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার তানজিব হাসান তামিম। এরপর মাত্র ১৩ রান যোগ করতেই একে একে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন আরও তিন ব্যাটসম্যান।
সেখান থেকে দলপতি আকবর আলী ও অলরাউন্ডার মৃত্যুঞ্জয় জয়ের জন্য ছুটতে থাকেন। কিন্তু ধৈর্য্যহীনতায় দু’জনই বাজে শর্ট খেলে সাজঘরে ফিরলে টাইগাররা ম্যাচ থেকে চূড়ান্তভাবে ছিটকে পড়ে। যাতে ম্যাচ হারাটা সময়ের অপেক্ষা হয়ে দাঁড়ায়।
শেষ পর্যন্ত ১০১ রানে ইনিংস শেষ হলে মাত্র ৫ রানের পরাজয়ের তীক্ততা নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশি যুবারা।
গত এশিয়া কাপের সেমিফাইনালেও একইভাবে জয়ের বন্দরে এসে তরী ডুবিয়েছিল যুবারা। সদ্য শেষ হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে আবারও হল ট্রফি হাতছাড়া। এ ম্যাচে বোলারদের দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে মাত্র ১০৬ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস।
সবার প্রত্যাশা ছিল দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক ট্রফি খরা এবার শেষ হচ্ছে। কিন্তু যুবাদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় নতুন করে সে অপেক্ষা আরও দীর্ঘতর হলো।
এএস





