সিরিজ জয় করতে হলে বাংলাদেশের জন্য জয় ছাড়া বিকল্প কোন পথ খোলা ছিলনা। বোলিং ভালো করলেও ব্যাট হাতে টপ অর্ডারদের ব্যর্থতায় সিরিজ হাত ছাড়া করল বাংলাদেশ।
নিউজিল্যান্ডের দেয়া ২৫২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করছে সফরকারী বাংলাদেশ। সতর্ক শুরুর পর সাজঘরে ফিরে গেছেন ওপেনার তামিম ইকবাল।
দলীয় ৩০ রানে টিম সাউদিকে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে মিউ-উইকেটে টম ল্যাথামের হাতে ধরা পড়েন তামিম, ২৩ বলে তিন বাউন্ডারিতে ১৬ রান করে। এরপর দলের হাল ধরেছেন ইমরুল ও সাব্বির রহমান। দলীয় ১০৫ রানে ৭৫ রানের এই জুটি ভাঙে ভুল বোঝাবুঝিতে।
নিশামের বলে সিঙ্গেল নিতে কল করেন ইমরুল। নন-স্ট্রাইকিং থেকে সাড়া দিয়েও শেষ পর্যন্ত ফিরে আসেন সাব্বির। ইমরুলও একই প্রান্তে ফিরে এলে সাজঘরে যেতে বাধ্য হন ৪৯ বলে দুই বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৩৮ রান করা সাব্বির। এরপর দলীয় ১১২ রানে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে সরাসরি বোল্ড করেন ফার্গুসন। আর দলীয় ১২৭ রানে নিল ব্রুমের তালুবন্দি করে সাকিবকে (৭) তুলে নেন কেন উইলিয়ামসন। মোসাদ্দেক হোসেনকেও তিনি ফেরান দলীয় ১৩৪ রানে।
আর বাংলাদেশ ইনিংসে বড় আঘাত হানেন টিম সাউদি। অর্ধশতক করা ইমরুল কায়েসকে তিনি তুলে নেন ব্রুমের তালিুবন্দি করে। ইমরুল ৮৯ বলে ৬ চারে করেন ৫৯ রান। দলীয় ১৪১ রানে উইলিয়ামসন অভিষিক্ত তানবীর হায়দারকে তৃতীয় শিকারে পরিণত করেন।
মাশরাফি ১৭ করে সাউদির বলে আউট হয়ে সাজঘরে যান। তাসকিন শূন্য রানে আউট হন।সোহান ২৪ রান করে আউট হন। বাংলাদেশ ১৮৪ রানে অল আউট হয়ে যায়।ফলে বাংলাদেশ ৬৭ রানে বিশাল ব্যবধানে হারে।
এর আগে টস হেরে ব্যাট পাওয়া নিউজিল্যান্ড ২৫১ রানে গুটিয়ে যায়। দলের পক্ষে নিল ব্রুম ১০৭ বলে ৮ চার ৩ ছক্কায় সর্বোচ্চ ১০৯ রানে অপরাজিত থাকেন। আর রনকি ৩৫, নিশাম ২৮ ও ল্যাথাম ২২ রান করে করেন।
বাংলাদেশের পক্ষে ৪৯ রানে ৩ উইকেট নেন মাশরাফি। আর সমান ৪৫ রান করে খরচা করলেও তাসকিন ও সাকিব ২টি এবং শুভশীষ একটি উইকেট পান। মোসাদ্দেক ১২ রানে নেন এক উইকেট।
মাহমুদ





