২০১৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে 'ব্রাজুকা' নামের বল ব্যবহার করা হবে। এডিডাস কোম্পানির তৈরি এ রকম ৫ হাজার 'ব্রাজুকা' বল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা-ফিফা। ফুটবল উন্নয়নের আওতায় সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশকেও এই বল দেয়া হয়েছে।
এই প্রকল্পের আওতায় বাফুফেকে আরো দুই হাজার বল পরবর্তী সময়ে দেওয়া হবে। ফেডারেশনের মাধ্যমে বলগুলো সারা দেশে জেলায় জেলায় খেলার জন্য দেওয়া হবে।
একই সাথে কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ফিফার দেওয়া আর্টিফিশিয়াল টার্ফ বসানোর কাজ দ্রুতই শুরু হচ্ছে। এই বছরের মধ্যেই কাজ সমাপ্ত করে মাঠে খেলা গড়ানোরও লক্ষ্য রয়েছে দেশের ফুটবল সংস্থার। এই ভেন্যুতে যে টার্ফ বসানো হচ্ছে তা ফিফার লাইসেন্সধারী কোনো কোম্পানির প্রতিষ্ঠান। ধারণা করা হচ্ছে উন্নতমানের টার্ফ প্রদান করছে ফিফা।
এর আগে সকালে ফিফার কর্মকর্তারা কমলাপুর মাঠ পরিদর্শন করেছেন। মাঠে টার্ফ বসানোর কোনো অসুবিধা দেখছেন না ফিফার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।
একই সাথে সিলেট ফুটবল একাডেমি এনএসসির কাছ থেকে বুঝে পাওয়ার আশ্বাস মিলেছে বাফুফে সভাপতির। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী বীরেন শিকদার জুলাইয়ের মধ্যে হস্তান্তর করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন জানালেন কাজী সালাউদ্দিন। বাফুফে সভাপতি বলেন,‘ফুটবল উন্নয়নে মন্ত্রী যথেষ্ট আন্তরিক বলে মনে হয়েছে। তিনি সব রকম সহযোগীতা প্রদানে আশ্বস্ত করেছেন। আপনারা জানেন সিলেট একডেমি আমরা হাতে পেলে আরো ভালোভাবে ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করতে পারব। আমি অনানুষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগতভাবে ফিফার সাথে কথা বলেছি। তারা আমাকে ভবিষ্যতে সিলেটেও টার্ফ বসানোর কাজে সহযোগিতা করবে।’
ফিফা ডেভলেপমেন্ট অফিসার ড. শাজী প্রভাকরণ বলগুলো হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বলেন,‘আমরা দ্রুতই টার্ফ বসানোর কাজ শেষ করতে চাই। এই বছরের মধ্যেই এই কাজ সমাপ্ত হয়ে খেলা মাঠে গড়াবে আশা করি। পরবর্তীতে এই দেশে ফুটবল উন্নয়নে আরো কিছু করার বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। টার্ফটি খুবই উন্নত মানের। ফিফার অনুমোদিত প্রথম সারির কোম্পানি  কর্তৃক টার্ফ বসানো হবে।’
ঢাকা,২৩ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)//জেডআই