আর কিছুক্ষনের মধ্যেই স্বপ্নের এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচ শুরু হতে যাচ্ছে। কারন এরই মধ্যে মিরপুর স্টেডিয়ামের মাঠ খেলার উপযোগী হতে পারে বলে মনে করছেন গ্রাউন্ডসম্যানরা। ইতোমধ্যে পিচের ওপর থেকে কাভার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
উপমহাদেশের সেরা স্টেডিয়াম ভাবা হয় ‘হোম অব ক্রিকেট’ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামকে। এই প্রশংসার অন্যতম কারণ স্টেডিয়ামের ড্রেনেজ সিস্টেম। বৃষ্টির পানিতে মাঠ ডুবে গেলেও, এখন পানি অনেকটাই নেমে গেছে। তবে আউট ফিল্ড এখনও বেশ খানিকটা ভিজে আছে। আর বিশ-পচিঁশ মিনিটের সেটাও ঠিক হয়ে যাবে।
এদিকে মাঠেনের ড্রেনেজ ব্যবস্থার প্রশংসা করেছে ক্রিইনফোও। ওয়েব সাইটটিতে বলা হয়েছে মিরপুরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অসাধারণ। কিছুক্ষণ পানিতে ভরপুর থাকলেও আউটফিল্ডের পানি সরে গেছে। ফিরে এসেছে ফ্লাড লাইটের আলো। সম্ভবত খুব বেশি ওভার কাটা যাবে না।
এদিনে পানি কিছুটা নেমে যাওয়ার পর মাঠে ফুটবল নিয়ে নেমে পড়েন ধোনি-কোহলিরা। এর কিছুক্ষণ পর ফুটবল নিয়ে ওয়ার্ম আপ করা শুরু করেন মাশরাফি-মুশফিকরাও।
এর আগে পৌনে ৬টায় এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচে হানা দেয় কালবৈশাখী ঝড় ও ভারি বৃষ্টি। স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনের ফ্রেমের একাংশ ঝড়ে উড়ে যায়। ফলে ম্যাচটি নিয়ে কিছুটা শঙ্কা দেখা দেয়। নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচ শুরু হতে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। সাড়ে ৮টার মধ্যে খেলা শুরু হলে সেটি ২০ ওভারের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। যদি সাড়ে ৮টার মধ্যে খেলা শুরু করা না যায় তবে ম্যাচের ওভার কমিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
খেলা দেখতে ইতোমধ্যে স্টেডিয়াম এলাকায় জনতার ঢল নেমেছে। তবে কেবল স্টেডিয়ামই নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে টেলিভিশন সেটের সামনে। তবে ঝড়-বৃষ্টির হানায় ম্যাচটি নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এসটি





