ঘরের মাঠে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এশিয়া কাপ। কিন্তু সন্তানের পাশে থাকবেন বলে দলে থাকছেন না তামিম ইকবাল। তার সন্তান ভূমিষ্ঠ হবার সম্ভাব্য তারিখ ২ মার্চ। তাই বর্তমানে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ওপেনার তামিম ইকবালকে ছাড়াই এশিয়া কাপ খেলতে নামবে বাংলাদেশ। আর তামিমের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে স্ট্যান্ডবাই থাকা ইমরুল কায়েস।
তামিমের জায়গায় সুযোগ পাওয়া ইমরুলের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার খুব বেশি উজ্জ্বল নয়। সাতটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে রান করেছেন মাত্র ৫৩। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের হয়ে দুর্দান্ত ব্যাট করেছেন এই বাঁহাতি ওপেনার। তিনশোর বেশি রান করে এবারের আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় আছেন দুই নাম্বারে। বিপিএলে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখানোর পুরষ্কার হিসেবেই এশিয়া কাপে তার অন্তর্ভুক্তি।
এর আগে ২০১৫ বিশ্বকাপেও আনামুল হক বিজয়ের ইনজুরিতে ডাক পেয়ে সেখানেও দেখান অসাধারণ নৈপুণ্য। এ ছাড়াও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচে খেলেন ৭৬ ও ৭৩ রানের ইনিংস।
এদিকে, বিসিবি সূত্রে জানা গেছে শেষ দিকে এসে হলেও এশিয়া কাপে খেলতে চেয়েছিলেন তামিম। তবে এরকম অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে তাকে দলে রাখতে রাজি নন কোচ হাতুরুসিংহে। এর আগে দেশের মাটিতে ২০১৪ এশিয়া কাপেও ইনজুরিজনিত কারণে খেলতে পারেননি বাঁ-হাতি মারকুটে এই ওপেনার।
এআই
শীর্ষ নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেটের নিয়মকানুন ঠিক করার দায়িত্ব যাদের, সেই মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) নতুন আইনে ক্রিকেট মাঠেও কোনো খেলোয়াড়ের আচরণ মাত্রা ছাড়ালেই তাঁকে মাঠ ছাড়তে বাধ্য করতে পারবেন আম্পায়ার।অপরাধ বিবেচনায় মাঠে ম্যাচে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ও ম্যাচ থেকে পুরো বহিষ্কারের নিয়ম চালু করেছে এমসিসি। ছোট অপরাধের জন্য হলুদ কার্ডের মতোই শাস্তি পেতে হবে, বড় অপরাধের শাস্তির জন্য একেবারে লাল কার্ড। মানে বহিষ্কার।
গতকাল এমসিসি পরীক্ষামূলকভাবে ক্রিকেটে হলুদ ও লাল কার্ড চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মাঠে ক্রিকেটারদের আগ্রাসী আচরণে বাঁধ দিতেই আসছে কার্ডের ব্যবহার। ২০১৫ সালে ইংল্যান্ডে ৫টি ম্যাচ পণ্ড হয়েছিল শুধুমাত্র খেলোয়াড়দের মধ্যে বিভিন্ন ঝগড়া-বিবাদের কারণে। ক্রিকেটে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই এমসিসির এমন উদ্যোগ। তবে লাল কার্ডের ব্যবহার হবে একেবারে শেষ অস্ত্র হিসেবে।
খেলোয়াড়েরা যদি নিজেদের মধ্যে হালকা বচসায় জড়িয়ে পড়ে, ইচ্ছাকৃতভাবে সময় নষ্ট করে, অথবা কোনো ফিল্ডার যদি ব্যাটসম্যানদের দিকে অযথা বল ছুড়ে মারে, অতিরিক্ত আপিল করে-সে ক্ষেত্রে কেবল ৫ রান পেনাল্টি দেবেন আম্পায়াররা।
কিন্তু খেলোয়াড়দের আচরণ যদি এ মাত্রাও ছাড়িয়ে গিয়ে আগ্রাসী রূপ নেয়, একজন আরেকজনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার হুমকি দেয় কিংবা আম্পায়ারকে ভয় দেখানোর কোনো চেষ্টা নেয় অথবা অন্য কোনো খেলোয়াড়কে জাতি, ধর্ম, বর্ণ কিংবা যৌনতা নিয়ে খোঁচা দেয়, তাহলে ওই খেলোয়াড়কে ১০ ওভার কিংবা বাকি ইনিংসের ২০ শতাংশ ওভারের জন্য মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হবে। ব্যাটসম্যানের ক্ষেত্রে মাঠ থেকে উঠে যেতে হবে এবং পরবর্তী ব্যাটসম্যান মাঠ থেকে উঠে যাওয়ার আগ পর্যন্ত মাঠে নামতে পারবেন না। যদি ব্যাটিং দলের ৯ উইকেট পড়ে যায়, সে ক্ষেত্রে দলকে অলআউট ঘোষণা করা হবে। আর ৫ রানের পেনাল্টি তো আছেই।
কিন্তু কোনো খেলোয়াড় যদি সরাসরি আম্পায়ারকে হুমকি দেন, প্রতিপক্ষকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, মাঠে সহিংস আচরণ করে অথবা অন্যদের বর্ণ, যৌনতা নিয়ে হেনস্তা করে তবে ওই খেলোয়াড়কে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হবে। ওই খেলোয়াড় মাঠ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে, ধরে নেওয়া হবে দলটি খেলা চালিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে এবং ম্যাচের ফলও নির্ধারিত হয়ে যাবে। সঙ্গে ৫ রানের জরিমানা তো থাকছেই।
এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো থেকে কিছুটা বিভ্রান্তি অবশ্য দেখা দিয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে কার্ডের ব্যবহারের কথা লেখা হলেও অন্যান্য প্রতিবেদনে শুধু শাস্তির কথাটাই লেখা হয়েছে। সেই শাস্তি আম্পায়ার কার্ড দেখিয়ে দেবেন, নাকি মৌখিকভাবে বলবেন, তা পরিষ্কার নয়।
এখনই মূল ধারার ক্রিকেটে চালু হচ্ছে না লাল কার্ড। ইংল্যান্ডের স্কুল ক্রিকেট, বিভিন্ন ঘরোয়া লিগ, এমসিসির বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাচগুলোতেই আপাতত লাল কার্ডের দেখা মিলবে। ডেভিড ওয়ার্নার কিংবা বিরাট কোহলির মতো স্বঘোষিত ‘আগ্রাসী’ ক্রিকেটাররা একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতেই পারেন। আরও কিছুদিন মাঠে আগ্রাসী মনোভাব দেখাতে পারবেন তাঁরা। তবে কে জানে, এই উদ্যোগ সফল হলে মূলধারার ক্রিকেটেও হয়তো চালু হয়ে যাবে এই নিয়ম।
শীর্ষ নিউজ/এন
শীর্ষ নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেটের নিয়মকানুন ঠিক করার দায়িত্ব যাদের, সেই মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) নতুন আইনে ক্রিকেট মাঠেও কোনো খেলোয়াড়ের আচরণ মাত্রা ছাড়ালেই তাঁকে মাঠ ছাড়তে বাধ্য করতে পারবেন আম্পায়ার।অপরাধ বিবেচনায় মাঠে ম্যাচে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ও ম্যাচ থেকে পুরো বহিষ্কারের নিয়ম চালু করেছে এমসিসি। ছোট অপরাধের জন্য হলুদ কার্ডের মতোই শাস্তি পেতে হবে, বড় অপরাধের শাস্তির জন্য একেবারে লাল কার্ড। মানে বহিষ্কার।
গতকাল এমসিসি পরীক্ষামূলকভাবে ক্রিকেটে হলুদ ও লাল কার্ড চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মাঠে ক্রিকেটারদের আগ্রাসী আচরণে বাঁধ দিতেই আসছে কার্ডের ব্যবহার। ২০১৫ সালে ইংল্যান্ডে ৫টি ম্যাচ পণ্ড হয়েছিল শুধুমাত্র খেলোয়াড়দের মধ্যে বিভিন্ন ঝগড়া-বিবাদের কারণে। ক্রিকেটে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই এমসিসির এমন উদ্যোগ। তবে লাল কার্ডের ব্যবহার হবে একেবারে শেষ অস্ত্র হিসেবে।
খেলোয়াড়েরা যদি নিজেদের মধ্যে হালকা বচসায় জড়িয়ে পড়ে, ইচ্ছাকৃতভাবে সময় নষ্ট করে, অথবা কোনো ফিল্ডার যদি ব্যাটসম্যানদের দিকে অযথা বল ছুড়ে মারে, অতিরিক্ত আপিল করে-সে ক্ষেত্রে কেবল ৫ রান পেনাল্টি দেবেন আম্পায়াররা।
কিন্তু খেলোয়াড়দের আচরণ যদি এ মাত্রাও ছাড়িয়ে গিয়ে আগ্রাসী রূপ নেয়, একজন আরেকজনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার হুমকি দেয় কিংবা আম্পায়ারকে ভয় দেখানোর কোনো চেষ্টা নেয় অথবা অন্য কোনো খেলোয়াড়কে জাতি, ধর্ম, বর্ণ কিংবা যৌনতা নিয়ে খোঁচা দেয়, তাহলে ওই খেলোয়াড়কে ১০ ওভার কিংবা বাকি ইনিংসের ২০ শতাংশ ওভারের জন্য মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হবে। ব্যাটসম্যানের ক্ষেত্রে মাঠ থেকে উঠে যেতে হবে এবং পরবর্তী ব্যাটসম্যান মাঠ থেকে উঠে যাওয়ার আগ পর্যন্ত মাঠে নামতে পারবেন না। যদি ব্যাটিং দলের ৯ উইকেট পড়ে যায়, সে ক্ষেত্রে দলকে অলআউট ঘোষণা করা হবে। আর ৫ রানের পেনাল্টি তো আছেই।
কিন্তু কোনো খেলোয়াড় যদি সরাসরি আম্পায়ারকে হুমকি দেন, প্রতিপক্ষকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, মাঠে সহিংস আচরণ করে অথবা অন্যদের বর্ণ, যৌনতা নিয়ে হেনস্তা করে তবে ওই খেলোয়াড়কে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হবে। ওই খেলোয়াড় মাঠ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে, ধরে নেওয়া হবে দলটি খেলা চালিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে এবং ম্যাচের ফলও নির্ধারিত হয়ে যাবে। সঙ্গে ৫ রানের জরিমানা তো থাকছেই।
এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো থেকে কিছুটা বিভ্রান্তি অবশ্য দেখা দিয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে কার্ডের ব্যবহারের কথা লেখা হলেও অন্যান্য প্রতিবেদনে শুধু শাস্তির কথাটাই লেখা হয়েছে। সেই শাস্তি আম্পায়ার কার্ড দেখিয়ে দেবেন, নাকি মৌখিকভাবে বলবেন, তা পরিষ্কার নয়।
এখনই মূল ধারার ক্রিকেটে চালু হচ্ছে না লাল কার্ড। ইংল্যান্ডের স্কুল ক্রিকেট, বিভিন্ন ঘরোয়া লিগ, এমসিসির বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাচগুলোতেই আপাতত লাল কার্ডের দেখা মিলবে। ডেভিড ওয়ার্নার কিংবা বিরাট কোহলির মতো স্বঘোষিত ‘আগ্রাসী’ ক্রিকেটাররা একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতেই পারেন। আরও কিছুদিন মাঠে আগ্রাসী মনোভাব দেখাতে পারবেন তাঁরা। তবে কে জানে, এই উদ্যোগ সফল হলে মূলধারার ক্রিকেটেও হয়তো চালু হয়ে যাবে এই নিয়ম।
শীর্ষ নিউজ/এন
শীর্ষ নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেটের নিয়মকানুন ঠিক করার দায়িত্ব যাদের, সেই মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) নতুন আইনে ক্রিকেট মাঠেও কোনো খেলোয়াড়ের আচরণ মাত্রা ছাড়ালেই তাঁকে মাঠ ছাড়তে বাধ্য করতে পারবেন আম্পায়ার।অপরাধ বিবেচনায় মাঠে ম্যাচে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ও ম্যাচ থেকে পুরো বহিষ্কারের নিয়ম চালু করেছে এমসিসি। ছোট অপরাধের জন্য হলুদ কার্ডের মতোই শাস্তি পেতে হবে, বড় অপরাধের শাস্তির জন্য একেবারে লাল কার্ড। মানে বহিষ্কার।
গতকাল এমসিসি পরীক্ষামূলকভাবে ক্রিকেটে হলুদ ও লাল কার্ড চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মাঠে ক্রিকেটারদের আগ্রাসী আচরণে বাঁধ দিতেই আসছে কার্ডের ব্যবহার। ২০১৫ সালে ইংল্যান্ডে ৫টি ম্যাচ পণ্ড হয়েছিল শুধুমাত্র খেলোয়াড়দের মধ্যে বিভিন্ন ঝগড়া-বিবাদের কারণে। ক্রিকেটে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই এমসিসির এমন উদ্যোগ। তবে লাল কার্ডের ব্যবহার হবে একেবারে শেষ অস্ত্র হিসেবে।
খেলোয়াড়েরা যদি নিজেদের মধ্যে হালকা বচসায় জড়িয়ে পড়ে, ইচ্ছাকৃতভাবে সময় নষ্ট করে, অথবা কোনো ফিল্ডার যদি ব্যাটসম্যানদের দিকে অযথা বল ছুড়ে মারে, অতিরিক্ত আপিল করে-সে ক্ষেত্রে কেবল ৫ রান পেনাল্টি দেবেন আম্পায়াররা।
কিন্তু খেলোয়াড়দের আচরণ যদি এ মাত্রাও ছাড়িয়ে গিয়ে আগ্রাসী রূপ নেয়, একজন আরেকজনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার হুমকি দেয় কিংবা আম্পায়ারকে ভয় দেখানোর কোনো চেষ্টা নেয় অথবা অন্য কোনো খেলোয়াড়কে জাতি, ধর্ম, বর্ণ কিংবা যৌনতা নিয়ে খোঁচা দেয়, তাহলে ওই খেলোয়াড়কে ১০ ওভার কিংবা বাকি ইনিংসের ২০ শতাংশ ওভারের জন্য মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হবে। ব্যাটসম্যানের ক্ষেত্রে মাঠ থেকে উঠে যেতে হবে এবং পরবর্তী ব্যাটসম্যান মাঠ থেকে উঠে যাওয়ার আগ পর্যন্ত মাঠে নামতে পারবেন না। যদি ব্যাটিং দলের ৯ উইকেট পড়ে যায়, সে ক্ষেত্রে দলকে অলআউট ঘোষণা করা হবে। আর ৫ রানের পেনাল্টি তো আছেই।
কিন্তু কোনো খেলোয়াড় যদি সরাসরি আম্পায়ারকে হুমকি দেন, প্রতিপক্ষকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, মাঠে সহিংস আচরণ করে অথবা অন্যদের বর্ণ, যৌনতা নিয়ে হেনস্তা করে তবে ওই খেলোয়াড়কে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হবে। ওই খেলোয়াড় মাঠ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে, ধরে নেওয়া হবে দলটি খেলা চালিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে এবং ম্যাচের ফলও নির্ধারিত হয়ে যাবে। সঙ্গে ৫ রানের জরিমানা তো থাকছেই।
এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো থেকে কিছুটা বিভ্রান্তি অবশ্য দেখা দিয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে কার্ডের ব্যবহারের কথা লেখা হলেও অন্যান্য প্রতিবেদনে শুধু শাস্তির কথাটাই লেখা হয়েছে। সেই শাস্তি আম্পায়ার কার্ড দেখিয়ে দেবেন, নাকি মৌখিকভাবে বলবেন, তা পরিষ্কার নয়।
এখনই মূল ধারার ক্রিকেটে চালু হচ্ছে না লাল কার্ড। ইংল্যান্ডের স্কুল ক্রিকেট, বিভিন্ন ঘরোয়া লিগ, এমসিসির বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাচগুলোতেই আপাতত লাল কার্ডের দেখা মিলবে। ডেভিড ওয়ার্নার কিংবা বিরাট কোহলির মতো স্বঘোষিত ‘আগ্রাসী’ ক্রিকেটাররা একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতেই পারেন। আরও কিছুদিন মাঠে আগ্রাসী মনোভাব দেখাতে পারবেন তাঁরা। তবে কে জানে, এই উদ্যোগ সফল হলে মূলধারার ক্রিকেটেও হয়তো চালু হয়ে যাবে এই নিয়ম।
শীর্ষ নিউজ/এন
শীর্ষ নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেটের নিয়মকানুন ঠিক করার দায়িত্ব যাদের, সেই মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) নতুন আইনে ক্রিকেট মাঠেও কোনো খেলোয়াড়ের আচরণ মাত্রা ছাড়ালেই তাঁকে মাঠ ছাড়তে বাধ্য করতে পারবেন আম্পায়ার।অপরাধ বিবেচনায় মাঠে ম্যাচে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ও ম্যাচ থেকে পুরো বহিষ্কারের নিয়ম চালু করেছে এমসিসি। ছোট অপরাধের জন্য হলুদ কার্ডের মতোই শাস্তি পেতে হবে, বড় অপরাধের শাস্তির জন্য একেবারে লাল কার্ড। মানে বহিষ্কার।
গতকাল এমসিসি পরীক্ষামূলকভাবে ক্রিকেটে হলুদ ও লাল কার্ড চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মাঠে ক্রিকেটারদের আগ্রাসী আচরণে বাঁধ দিতেই আসছে কার্ডের ব্যবহার। ২০১৫ সালে ইংল্যান্ডে ৫টি ম্যাচ পণ্ড হয়েছিল শুধুমাত্র খেলোয়াড়দের মধ্যে বিভিন্ন ঝগড়া-বিবাদের কারণে। ক্রিকেটে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই এমসিসির এমন উদ্যোগ। তবে লাল কার্ডের ব্যবহার হবে একেবারে শেষ অস্ত্র হিসেবে।
খেলোয়াড়েরা যদি নিজেদের মধ্যে হালকা বচসায় জড়িয়ে পড়ে, ইচ্ছাকৃতভাবে সময় নষ্ট করে, অথবা কোনো ফিল্ডার যদি ব্যাটসম্যানদের দিকে অযথা বল ছুড়ে মারে, অতিরিক্ত আপিল করে-সে ক্ষেত্রে কেবল ৫ রান পেনাল্টি দেবেন আম্পায়াররা।
কিন্তু খেলোয়াড়দের আচরণ যদি এ মাত্রাও ছাড়িয়ে গিয়ে আগ্রাসী রূপ নেয়, একজন আরেকজনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার হুমকি দেয় কিংবা আম্পায়ারকে ভয় দেখানোর কোনো চেষ্টা নেয় অথবা অন্য কোনো খেলোয়াড়কে জাতি, ধর্ম, বর্ণ কিংবা যৌনতা নিয়ে খোঁচা দেয়, তাহলে ওই খেলোয়াড়কে ১০ ওভার কিংবা বাকি ইনিংসের ২০ শতাংশ ওভারের জন্য মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হবে। ব্যাটসম্যানের ক্ষেত্রে মাঠ থেকে উঠে যেতে হবে এবং পরবর্তী ব্যাটসম্যান মাঠ থেকে উঠে যাওয়ার আগ পর্যন্ত মাঠে নামতে পারবেন না। যদি ব্যাটিং দলের ৯ উইকেট পড়ে যায়, সে ক্ষেত্রে দলকে অলআউট ঘোষণা করা হবে। আর ৫ রানের পেনাল্টি তো আছেই।
কিন্তু কোনো খেলোয়াড় যদি সরাসরি আম্পায়ারকে হুমকি দেন, প্রতিপক্ষকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, মাঠে সহিংস আচরণ করে অথবা অন্যদের বর্ণ, যৌনতা নিয়ে হেনস্তা করে তবে ওই খেলোয়াড়কে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হবে। ওই খেলোয়াড় মাঠ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে, ধরে নেওয়া হবে দলটি খেলা চালিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে এবং ম্যাচের ফলও নির্ধারিত হয়ে যাবে। সঙ্গে ৫ রানের জরিমানা তো থাকছেই।
এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো থেকে কিছুটা বিভ্রান্তি অবশ্য দেখা দিয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে কার্ডের ব্যবহারের কথা লেখা হলেও অন্যান্য প্রতিবেদনে শুধু শাস্তির কথাটাই লেখা হয়েছে। সেই শাস্তি আম্পায়ার কার্ড দেখিয়ে দেবেন, নাকি মৌখিকভাবে বলবেন, তা পরিষ্কার নয়।
এখনই মূল ধারার ক্রিকেটে চালু হচ্ছে না লাল কার্ড। ইংল্যান্ডের স্কুল ক্রিকেট, বিভিন্ন ঘরোয়া লিগ, এমসিসির বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাচগুলোতেই আপাতত লাল কার্ডের দেখা মিলবে। ডেভিড ওয়ার্নার কিংবা বিরাট কোহলির মতো স্বঘোষিত ‘আগ্রাসী’ ক্রিকেটাররা একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতেই পারেন। আরও কিছুদিন মাঠে আগ্রাসী মনোভাব দেখাতে পারবেন তাঁরা। তবে কে জানে, এই উদ্যোগ সফল হলে মূলধারার ক্রিকেটেও হয়তো চালু হয়ে যাবে এই নিয়ম।
শীর্ষ নিউজ/এন





