বাংলাদেশে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিস্কৃত জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম বলেছেন, কর্তৃপক্ষ অন্যায় আচারন করেছে।

তিনি বলেছেন আমার সঙ্গে অন্যায় বিচার হয়েছে। তিনটা কারণে আমাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।কোড অব কনটাক্টে টু, সিক্স এন্ড সেভেনে আমাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

 বলা হচ্ছে-আমি নাকি গালমন্দ করি। আমি কাকে গালমন্দ করি? যদি আমার খেলোয়াড়দের গালমন্দ করি সেটা কিভাবে নিচ্ছে সেটা দেখার বিষয়।

 আরও বলা হচ্ছে-আমি কেন সাংবাদিকদের সঙ্গে ফ্র্যাঙ্কলি কথা বলি । এখন এমন যদি হয় যে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলা যাবেনা তাহলেতো সেটা ইতিহাস হয়ে যাবে।

এই যে আপনাদের একথাগুলো বলেছি-এটাতেও আমার অপরাধ হয়ে যেতে পারে”-বলেন মামুনুল ইসলাম।

মামুনুল ইসলামের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।

বিবিসিকে তিনি বলেন, “আমি আপীল করবো। আমি অন্যায় করিনি তাদের কাছে দোষ স্বীকার করার কিছু নেই।

 যে খেলোয়াড় পারফর্ম করেনি তাকে চিহ্নিত না করে যে পারফর্ম করেছে তাকে যদি শাস্তি দেয়া হয় এটা খুবই অন্যায়”-বলেন মি: ইসলাম।

 অক্টোবরে ভারতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশীয় ফুটবল এবং জানুয়ারিতে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপে দলের পারফরমেন্স নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বা বাফুফে একটি তদন্ত কমিটি করে।

 সেই কমিটির সুপারিশে গতকাল অধিনায়ক মামুনুল ইসলামসহ জাতীয় দলের চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিস্কার করা হয়। মামুনুল ইসলামকে সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়।

এসটি