অ্যাথলেটিক বিলবাওকে পরাজিত করেছে লিওনেল মেসির ক্লাব বার্সেলোনা। দিনের শুরুতে বার্সার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ এবং অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদও জয় পেয়েছে। আর নিজেদের মাঠে যে পিছিয়ে নেই কাতালান ক্লাবটি সেই প্রমাণই তারা দিলেন বিলবাওকে ৬-০ ব্যবধানে হারিয়ে।

ম্যাচ শুরুর আগেই অবশ্য আনন্দে ভেসেছেন কাম্প নউয়ের সমর্থকরা। কেননা সদ্য জেতা পঞ্চম ব্যালন ডি’অর প্রদর্শন করেছেন মেসি খেলা শুরু হওয়ার আগে। আর তাকে তুমুল করতালিতে স্বাগত জানিয়েছেন সমর্থকরা।

রোববার রাতের এই ম্যাচে দেখা গেছে মেসি-নেইমার-সুয়ারেজ তিন তারকার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। যেন গোল উৎসব চলছিল বার্সেলোনার। গোলের সূচনা অবশ্য মেসিই করেছেন।

খেলা শুরুর ৩ মিনিটেই ডি-বক্স সীমানায় সুয়ারেজকে ফাউল করে লালকার্ড দেখেন বিলবাওয়ের গোলরক্ষক ইরাইসোস। আর তার পরিবর্তে মেসি পেয়ে যান পেনাল্টির সুযোগ।

খুব সহজেই মেসি পেনাল্টি থেকে প্রথম গোলটি করেছেন। তবে তিনি বেশিক্ষণ মাঠে থাকতে পারেননি। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়ে সাজঘরে ফিরে যেতে হয়েছে তাকে।

তবে এর ফলে তেমন একটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি লুইস এনরিকের দলকে। তারা প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মকভাবে খেলেছেন। নেইমার এবং সুয়ারেজের দুইটি চেষ্টা ব্যর্থ করে বিলবাও।

কিন্তু ৩১ মিনিটে নেইমারের গোলটি ব্যবধান দ্বিগুণ করে বার্সেলোনার। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধের খেলা শেষ করে বার্সা।

বিরতির পর মেসি আর মাঠে নামেননি। তার পরিবর্তে আরদা তুরানকে নামানো হয়। আর দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হলে লুইস সুয়ারেজ তার চমক দেখানো শুরু করেন।

হ্যাটট্রিক করে দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন ৫-০ ব্যবধানে। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেই জয় সুনিশ্চিত হয়েছে। তিনি পরপর ৮৭, ৬৮ এবং ৮২ মিনিটে তিনটি গোল করেন। আর এর মধ্যেই ৬২ মিনিটে আরও একটি গোল করেছেন ইভান রাকিতিচ।

রাতের এই ম্যাচটি ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। একের পর এক গোল করে যান বার্সার তিন তারকা মেসি, নেইমার এবং সুয়ারেজ।

যদিও মেসির দুর্ভাগ্য. তাকে মাঠ থেকে ছিটকে পড়তে হয়েছে ইনজুরির কারণে। তারপরও তার দল বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছে। এই জয়ে ১৯ ম্যাচে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে বার্সেলোনা।

অপরদিকে দিনের অন্য দুই ম্যাচে জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ এবং অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। লাস পালমাসকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। ২০ ম্যাচে ৪৭ পয়েন্ট নিয়ে এখনও তারাই শীর্ষে অবস্থান করছেন।

এমকে