এক নয়, দুই নয়, বার বার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত। তাও কোনো অস্পষ্ট সিদ্ধান্ত নয়। নিশ্চিত আউট হলেও সেটা দেয়া হল 'নো' বল। বাউন্ডারি হলেও দেয়া হল আউট। খেলার টার্নিং পয়েন্টগুলোতে এভাবে মাশরাফিদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে রানের পার্থক্যে ভারতকে তুলে দেয়া হয় সেমিফাইনালে। তবে নৈতিকতার মাপকাঠিতে ঠিকই জিতেছে টাইগারা।
বৃহস্পতিবার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে প্রথমে ব্যাট করে আম্পায়ারদের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের সুবাদে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময় ৩০২ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে ৪৫ ওভারে সব উইকেটের বিনিময় ১৯৩ রান করে বাংলাদেশ। ফলে ১০৯ রানে হেরে যায় তারা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম পাঁচ ওভার বেশ ভালোই স্কোর করছিলেন তামিম। কিন্তু সপ্তম ওভারে উমেশ যাদবের তৃতীয় বলে ধোনির হাতে ক্যাচ আউট হন তামিম। পরের বলে সৌম্য দৌড় শুরু করলেও আবার থেমে যান। ফলে ইমরুল রান আউটের ফাঁদে পড়েন।
এরপর সৌম্য ও মাহমুদুল্লাহ দলের হাল ধরেন। কিন্তু ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে শিখর ধাওয়ানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন মাহমুদুল্লাহ। কিন্তু বল হাতে বাউন্ডারিতে পা লেগে যায় ধাওয়ানের। তবুও মাহমুদুল্লাহে আউট দেয়া হয়।
পরে সৌম্য ধোনির হাতে ক্যাচ আউট হওয়ার পর সাকিবও সাজঘরে ফিরে যান। সময় ধীরে ধীরে মুশফিক (২৭), নাসির (৩৫), মাশরাফি (১) ও রুবেল (০) বিদায় নেন। শেষ উইকেটে বিদায় নেন ৩০ রান করা সাব্বির রহমান।
ভারতের উমেশ যাদব চারটি উইকেট পান। মোহাম্মদ সামি পান দুটি উইকেট।
এর আগে বৃহস্পতিবার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে শুরুতে ব্যাটিং বেছে নিয়েছেন ভারতের অধিনায়ক ধোনি।
ব্যাট করতে নামা ভারত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩০২ রান সংগ্রহ করেছে।
টস জিতে ব্যাট করতে নামা ভারত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩০২ রান সংগ্রহ করেছে।
এদিন শুরু থেকেই টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বেশ চাপে ছিল ভারত। তবে উইকেট পেতেও বাংলাদেশের বেশ দেরী হয়।
১৭তম ওভারে সাকিবের হাতে বল তুলে দেন মাশরাফি। নিজের প্রথম ওভারেই নেতার মান রাখলেন তিনি। তৃতীয় বলে শিখর ধাওয়ানকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন। বেশ ভালোভাবেই স্টাম্পিং করে ধাওয়ানকে বিদায় করে দেন মুশফিক।
১৮তম ওভারের পঞ্চম বলে কোহলিকে (৩) বিদায় করে দেন রুবেল হোসাইন। এবার ক্যাচ ধরেন মুশফিক।
তাসকিকের বলে বিদায় নেন রাহানে। পরে দুটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তে উইকেট বঞ্চিত হয় বিশ্বের টাইগাররা।
অবশেষে মাশরাফির বলে রায়না ক্যাচ আউট হয়। ৫৭ বলে ৬৫ রান করেন রায়না।
রোহিতকে আম্পায়াররা বাঁচালেও তাসকিন বাঁচতে দেয়নি। তার বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে গিছে। মাঠ চাড়ার আগে ১২৬ বলে ১৪টি চার ও তিনটি ছক্কায় ১৩৭ রান করেন।
১১ বলে ৬ রান করা ধোনি সেই তাসকিনের থাবায় নাসিরের হাতে ক্যাচ দিয়ে মাঠ থেকে চলে গেছেন।
১০ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন জাদেজা। তার সঙ্গে ৩ রান নিয়ে খেলা শেষ করেন অশ্বিন।
বাংলাদেশের বোলার তাসকিন আহমেদ সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট পান। এছাড়া মাশরাফি, রুবেল ও সাকিব একটি করে উইকেট পান।
জেডআই





