করোনা আসার পর থেকে ক্রিকেট খেলতে হলে অনেক নিয়মকানুন মেনে চলতে হচ্ছে ক্রিকেটারদের। নিয়ম ভাঙলে পেতে হচ্ছে বড় ধরনের শাস্তি।

এবার যেমন শাস্তির মুখোমুখি হলেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার রাজা হাসান।

পাকিস্তানে চলছে কায়েদ-এ-আজম ট্রফি। সেখানে তিনি খেলছিলেন নর্দানসের দ্বিতীয় একাদশের হয়ে। টুর্নামেন্ট চলাকালে স্বভাবতই সবাইকে মেনে চলতে হচ্ছিল বায়ো সেফটি বাবলের কঠোর নিয়মকানুন। রাজা হাসান সেই কঠোর নিয়মকানুনকে পাত্তাই দেননি।

মেডিকেল টিমের অনুমতি বা অনুমোদন ছাড়াই রাজা হাসান বায়ো বাবল ভেঙে বাইরে গিয়েছিলেন। তিনি ফের দলের সাথে যোগ দিলে আছে পুরো দলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি। দল তাই এতটুকু ছাড় দেয়নি পাকিস্তান জাতীয় দলের হয়ে খেলা এই স্পিনারকে। তাকে পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই বহিষ্কার করা হয়েছে।

রাজার এমন কাজকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ আখ্যায়িত করে পিসিবির হাই পারফরম্যান্স পরিচালক নাদিম খান বলেন, ‘করোনা প্রটোকলের গুরুত্ব এত করে বোঝানো সত্ত্বেও রাজা হাসান বায়ো বাবল ভেঙেছেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক। এই কাজের জন্য তাকে টুর্নামেন্ট থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং মৌসুমের বাকি অংশে তাকে অংশ নিতে দেওয়া হবে না। খেলোয়াড়দের সুরক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়া এবং আমাদের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আয়োজনে সক্ষমতা বিশ্বকে জানানোর জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।’

রাজার এমন শৃঙ্খলা ভঙ্গের দৃষ্টান্ত অবশ্য নতুন কিছু নয়। ২০১২ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হলেও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তিনি দল থেকে বাদ পড়েন। ২০১৫ সালে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি।বিডিক্রিকটাইম

এমবি