টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে চরম ব্যাটিং ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে পাকিস্তান। দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে উমর আকমলের ব্যাটে রানের পাহাড় গড়েছে মোহাম্মদ হাফিজের দল। বল হাতেও সফলতার পরিচয় দিয়েছেন তারা। ফলে ১৬ রানে জিতেছে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা।
রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের দেয়া ১৯২ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৭৫ রান সংগ্রহ করতে পারে অস্ট্রেলিয়া।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী ওভারেই দুই উইকেট হারায় ক্যাঙ্গারু বাহিনী। জুলফিকার বাবরের দ্বিতীয় বলে বোল্ড হন ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। শেষ বলে কামরান আকমলের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ওয়াটসন।
তবে উদ্বোধনী জুটির অ্যারোন ফিঞ্চকে সঙ্গে নিয়ে ঝড়ো ব্যাটিং করেন অল রাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাদের ব্যাটে ১০ ওভারেই ১১৭ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। ১১.৪ ওভারে ম্যাক্সওয়েল আউট হলে তাদের ১১৮ রানের জুটি ভেঙ্গে যায়। শহীদ আফ্রিদের বলে আহমদে শেহজাদের তালুবন্দী হওয়ার আগে ৩৩ বলে ৭টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৭৪ রান করেন তিনি।
এরপর ভাঙ্গন শুরু হয় অসি শিবিরে। ২২ গজের এক প্রান্তে ফিঞ্চ দাঁড়িয়ে থাকলেও অন্য প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। ফলে শেষ ১০ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময় ৫৮ রান সংগ্রহ করতে পারে বেইলিরা। ষষ্ঠ উইকেটে ফিঞ্চ সাজঘরে ফিরে যাওয়ার আগে ৫৪ বলে ৬৫ রান করেন। এছাড়া আর কেউই রানের খাতা দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।
পাকিস্তানের বোলার জুলফিকার, উমর গুল, আফ্রিদি ও আজমল দুটি করে উইকেট পান।
এর আগে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি পাকিস্তান। তবে আকমল পরিবারের দুই ভাইয়ের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায়। তাদের প্রতিরোধ রূপ নেয় প্রতিশোধে। আর এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান সংগ্রহ করে ভারতের কাছে হেরে যাওয়া দলটি।
এদিন যার ব্যাটে পাকিস্তান রানের পাহাড় গড়েছে, সেই উমর আকমলই আফসোস নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। ৫৩ বলে ৯৪ রান করা উমর ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে চেয়েছেন। কিন্তু ১৯তম ওভারে স্টার্কের প্রথম বলে ম্যাক্সওয়েলের তালুবন্দী হন এই ব্যাটসম্যান। শেষ বলটিতে ছক্কা না হলেও এর আগে ৬টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন উমর। সেই সঙ্গে রয়েছে ৯টি বাউন্ডারি।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২৫ রানে দুই উইকেট হারানো পাকিস্তানকে ভিত গড়ে দিয়েছেন কামরান আকমল। ৩১ বলে ৩১ রান করে মাঠ থেকে বিদায় নিয়েছেন তিনি।
ভারতের বিপক্ষে সফল না হলেও এদিন বুম বুম আফ্রিদি ব্যাটে আলো ছড়িয়েছেন। শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে মাত্র ১১ বলে ২টি চার ও একটটি ছক্কায় করেছেন ২০ রান। তার সঙ্গে ৬ রান নিয়ে খেলা শেষ করেন শোয়েব মালিক।
অস্ট্রেলিয়াকে হারাল পাকিস্তান
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে চরম ব্যাটিং ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে পাকিস্তান। দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে উমর আকমলের ব্যাটে রানের পাহাড় গড়েছে মোহাম্মদ
পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের সঙ্গে ইরানের বৈঠক শুরু
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ইরানের রাজধানী তেহরানে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা’ জোটের তিন সদস্যদেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিয়েছেন।
সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত প্রশমিত করা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ‘মক্কা জোটের’ তিন সদস্য- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান।
ক্ষুধা মোকাবিলায় ভারত পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণকে বাংলাদেশের এই অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বিপরীতে, খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, শিশুদের অপুষ্টি, সীমিত কর্মসংস্থান এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ পাকিস্তানের ক্ষুধা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
তুরস্ক-পাকিস্তান-কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং সামরিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতে চুক্তি সই করেছে তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়া। দেশগুলোর মধ্যে সামরিক মহড়া, প্রশিক্ষণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নে যৌথ সহযোগিতার পথ আরও সুগম করাই এ চুক্তির লক্ষ্য।
পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য জরুরি: মার্কো রুবিও
মতপার্থক্য থাকলেও পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটির সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা ওয়াশিংটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
















