ব্রাজিলীয় ফুটবলে সর্বকালের অন্যতম সেরা তারকার মর্যাদার আসনেও অনেক আগেই বসেছেন তিনি। ফুটবল মাঠে জীবন্ত কিংবদন্তি হিসেবে অনেক আগেই পরিচিতি পেয়েছেন।
রোমারিও ডি সুজা ফারিয়া প্রমাণ করে দিলেন রাজনীতির তপ্ত অঙ্গনেও তিনি কম যান না। ব্রাজিলের সাধারণ নির্বাচনে রিও ডি জেনিরোর একটি আসন থেকে ৬৩ ভাগ ভোট নিজের বাক্সে নিয়ে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন রাজনীতির মাঠে নিজের সক্ষমতা।
ব্যাপারটি হয়তো ১৯৯৪ সালে ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জেতানোর মতো কিছু নয়। কিন্তু তার পরও রোমারিওর নতুন অর্জন কিন্তু বিশেষ কিছুই। রিওর ওই আসনের ৪০ লাখ ৬৩ হাজার ভোটার রায় দিয়েছেন রোমারিওর পক্ষে। রাজনীতিতে প্রায় নতুন রোমারিওর পক্ষে এটা বিরাট এক অর্জনই।
রোমারিওর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওই আসনে ভোট পেয়েছেন ২০ শতাংশ ভোট। তার মানে ওই আসনের ভোটাররা দারুণভাবেই আস্থা রেখেছেন রোমারিওর ওপর। আর ঠিক এই ব্যাপারটিই তৃপ্তি দিচ্ছে সাবেক এই বার্সেলোনা তারকাকে, ‘আমি জানি, সবাই আমার ওপর কতটা আস্থা রেখেছে। কথা দিচ্ছি কেউ আশাহত হবেন না। আমার ওপর রাখা আস্থার প্রতিদান তাঁরা পাবেনই।’
খুব গরিব পরিবার থেকে উঠে এসেছিলেন রোমারিও। রিও ডি জেনিরোর বস্তি থেকে বিশ্ব ফুটবলের অনন্য তারকার খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তিনি। অনেক বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে তাঁর ফুটবল তারকা হয়ে ওঠার গল্পটিকে মাথায় রেখেই এবার তিনি সাজিয়েছিলেন তাঁর প্রচার পরিকল্পনা। ‘পেরিয়ে যাও সকল বাধা’ স্লোগান ব্যবহার করেই সাধারণ মানুষের আস্থার রায়টি নিজের করে নিয়েছেন তিনি।
‘বস্তি থেকে সিনেটে’—নিজের টুইটারে তাঁর জীবনের গল্পটি এভাবেই চিত্রিত করেছেন রোমারিও। বলেছেন, তিনি একসময় বস্তিতে থাকতেন, এটা তাঁকে মোটেও অসম্মানিত করে না। তিনি বস্তিবাসীর জীবনমান উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।
রোমারিও ২০১৬ সালে রিও ডি জেনিরোর মেয়র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করারও ইচ্ছার কথা জানিয়ে রেখেছেন আগেই। ২০১৬-তেই রিওতে আয়োজিত হতে যাচ্ছে লাতিন আমেরিকার মাটিতে প্রথম অলিম্পিক আসর। সূত্র: এএফপি।
এমএইচ





