টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় দাপুটে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালকে ৮ উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিকরা। তামিম-এনামুলের পর সাকিবের মারমুখী ব্যাটিংয়ে ২৭ বল হাতে থাকতেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় টাইগাররা।
আগের ম্যাচে আফগানিস্তানকেও বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এই ম্যাচেও ঘটেছে প্রায় একই ঘটনা। টসে জয় পাওয়া ছাড়াও মিল রয়েছে জয় পাওয়া বলটিতে। আগের ম্যাচে ছক্কায় হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। এই ম্যাচেও জয়ের জন্য এক রান দূরে থাকলেও ছক্কা হাঁকিয়েছেন সাকিব।
দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ার আগে মাত্র ১৮ বলে ১টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৩৭ রান করেন সাকিব। তার সঙ্গে ২০ বলে ২১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন সাব্বির রহমান।
টার্গেটে খেলা শুরু করে বাংলাদেশকে ভিত গড়ে দিয়ে যান তামিম ও এনামুল। তাদের উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ৬৩ রান। ওয়ানডাউনে নামা সাব্বিরকে নিয়ে দ্রুতই জয়ের বন্দরের দিকে এগিয়ে যান এনামুল। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে রান আউট হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। মাঠ ছাড়ার আগে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪২ রান করেন তিনি। আর রেগমির বলে ক্যাচ তুলে দেয়ার আগে ২২ বলে তামিমের ৩০ রানও ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
এর আগে মঙ্গলবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং বেছে নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ম্যাচটিতে পেসাররা সুবিধা করতে পারলেও স্পিনাররা ছিলেন একেবারেই ম্লান। সেই সঙ্গে ফিল্ডিং মিসও ছিল চোখে পড়ার মতো। এছাড়া মুশফিক দুটি নিশ্চিত স্টাম্পিং মিস করেছেন।
সুযোগটি বেশ ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছে নেপাল। নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ৫ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান সংগ্রহ করেছে তারা।
৩৯ রানে তিন উইকেট হারানো দলটিকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন খাদকা ও শারদ বিশ্বকর। তারা দুই জন মিলে গড়ে তোলেন ৮৫ রানের জুটি। ১৯তম ওভারে মাশরাফির শেষ বলে দলনেতা খাদকা বোল্ড হয়ে মাঠ থেকে বিদায় নিলে এই জুটির পতন হয়। মাঠ ছাড়ার আগে ৩৫ বলে ৪১ রান করেন তিনি।
শেষ ওভারে রান আউট হওয়ার আগে ৪৩ বলে ৪০ রান করেন শারদ। এছাড়া জ্ঞানেন্দ্রর ১৩ রানই উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের বোলার আল আমিন হোসাইন সর্বোচ্চ দুটি উইকেট পান।
খেলা
দাপুটে জয় বাংলাদেশের
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় দাপুটে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালকে ৮ উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিকরা। তামিম-এনামুলের পর সাকিবের মারমুখী ব্যাটিংয়ে ২৭ বল হাতে থাকতেই





