টি-টোয়েন্টিতে ক্রিকেটে এখনো পর্যন্ত ‘মুস্তাফিজ’ই সেরা। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই চমক দেখানো মুস্তাফিজুর রহমান আইপিএলেও আলো ছড়াচ্ছেন সমানতালে।
এ পর্যন্ত ২৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন মুস্তাফিজ, এতে তার ইকোনোমি রেট ৫.৯৪। টি-টোয়েন্টিতে কমপক্ষে ৫০০ বল করা পেসারদের মধ্যে একমাত্র মুস্তাফিজের ইকোনোমি রেটই ৬-এর নিচে!
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও মুস্তাফিজের ইকোনোমি রেট ৬-এর নিচে। ১৩টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলা মুস্তাফিজের ইকোনোমি রেট ৫.৯৮।
ভারতের ঘরোয়া এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলা মুস্তাফিজ প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত বোলিং করেন।
বাংলাদেশের তরুণ এই পেসার আইপিএলে অভিষিক্ত সেই ম্যাচে পরপর দুই বলে ফিরিয়ে দেন টি-টোয়েন্টির অন্যতম সেরা দুই ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স ও শেন ওয়াটসনকে।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ওই ম্যাচটিতে ৪ ওভার বল করে ২৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন মুস্তাফিজ।
তার দারুণ বোলিংয়ের পরও অবশ্য বেঙ্গালুরুর রানপাহাড়ে চাপা পড়ে ম্যাচটি বড় ব্যবধানে হেরে যায় হায়দরাবাদ।
শনিবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও হেরে যায় হায়দররাবাদ। তবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে এই ম্যাচেও ভালো বোলিং করেছেন মুস্তাফিজ।
এই ম্যাচে পাওয়ার-প্লেতে এক ওভার বোলিং করে মুস্তাফিজ দেন ৩ রান। ১২তম ওভারে বোলিংয়ে এসে দেন ৫ রান।
নিজের পরের ওভারেই ১৩৭ কিলোমিটার গতির দুর্দান্ত এক ইয়র্কারে বোল্ড করেন আন্দ্রে রাসেলকে। বলটি ঠেকাতে গিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ব্যাটসম্যান হন ভূপাতিত! নিজের শেষ ওভারে অবশ্য ১৪ রান দেন মুস্তাফিজ। ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট।
প্রথম ম্যাচে ৪ ওভারের কোটা শেষ করা বোলারদের মধ্যে ম্যাচেরই সেরা ইকোনোমি রেট ছিল মুস্তাফিজের (৬.৫০)।
দ্বিতীয় ম্যাচে মুস্তাফিজের ইকোনোমি রেট ছিল ৭.২৫, যা দলের আরেক পেসার ভুবনেশ্বর কুমারের সমান। তবে একটি দিক দিয়ে সবারই ওপরে মুস্তাফিজ।
এসএম





