টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই দাপুটে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। ফলে চার পয়েন্ট নিয়ে সুপার-১০ পর্বে এক পা দিয়ে রেখেছিল তারা। কিন্তু শেষ ম্যাচে হংকংয়ের বিপক্ষে ২০ ওভারই খেলতে পারেনি টাইগাররা। সেই সঙ্গে সুপার-১০ পর্বে খেলা নিয়েও শঙ্কা দেখা দেয় তাদের। তবে সেই শঙ্কা কাটিয়েছেন মুশফিকরা।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের জহুর আহমদে চৌধুরী স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে ৯ রানে আফগানিস্তানকে হারায় নেপাল। প্রথম ম্যাচে হংকংকেও বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল তারা। ফলে দুই জয়ে চার পয়েন্ট অর্জন করে দলটি। তবুও রান রেটে বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে থাকায় পরের রাউন্ডে খেলার সম্ভাবনা প্রায় শেষ হয়ে যায়।
বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে হারানো হংকং বাংলাদেশের বিপক্ষেও চমক দেখানোর আশায় ছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে হেরে দলনেতা অ্যাটকিসন তো সেটা জানিয়েই দিলেন। কথা ঠিকই রেখেছেন তারা। বাংলাদেশকে অল আউট করেছে মাত্র ১৬.৩ ওভারে। রান সংখ্যা মাত্র ১০৮।
ব্যাট হাতেও দুর্দান্ত সূচনা করে হংকং। আল আমিন হোসাইনের ওপেনিং ওভারে নেয় ১০ রান। যদি এই ম্যাচে ১৩.১ ওভারের আগেই হংকং জয় পেলে সুপার-১০ পর্বে খেলার সুযোগ পেত নেপাল। কিন্তু সাকিবের পর আল আমিন ও মাহমুদুল্লাহর বোলিং তোপে সেটি আর সম্ভব হলো না। ফলে হংকং এই ম্যাচে জিতলেও পরের রাউন্ডে ঠিকই খেলছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।
খেলা
সুপার-১০ পর্বে বাংলাদেশ
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই দাপুটে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। ফলে চার পয়েন্ট নিয়ে সুপার-১০ পর্বে এক পা দিয়ে রেখেছিল তারা। কিন্তু শেষ ম্যাচে হংকংয়ের বিপক্ষে





