নেইমারের পর এবার ব্রাজিলের আরেক উঠতি বিস্ময় গারসনকেও এক রকম নিজেদের দলে ভেড়ানোর বন্দোবস্ত করল বার্সেলোনা।
১৮ বছর বয়সী ফ্লুমিনেন্সের এই মিডফিল্ডারকে ভাবা হচ্ছে আগামীর বড় তারকা। জাভির বিদায়, ৩২-এ পা দেওয়া আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা—মাঝমাঠের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই ভাবছে বার্সা। বার্সেলোনা এরই মধ্যে ৩০ লাখ ইউরো ব্রাজিলের দলটিকে দিয়েছে, যে টাকায় দেনায় জর্জরিত ফ্লুমিনেন্সে খেলোয়াড়দের বেতন শোধ করেছে। জানুয়ারিতে বার্সার ওপর থেকে দলবদলের নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে আরও ১ কোটি ৭০ লাখ ইউরো দেবে কাতালান ক্লাবটি।
ফ্লুমিনেন্স আর গারসন শুনলে ফুটবল রোমান্টিকদের মনে ১৯৭০ বিশ্বকাপ ভেসে ওঠার কথা। অনেকেরই মতে ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা দলটির ‘ফুসফুস’ ছিলেন গারসন। সে সময়কার ফুটবলে সেরা পাস দেওয়ার ক্ষমতা ছিল ১৯৭৪ সালে ফ্লুমিনেন্সের হয়ে ক্যারিয়ার শেষ করা এই প্লেমেকারের। ফুসফুস নয়, বরং তাঁকে দলটির মস্তিষ্কই বলা হতো।
সেই একই ক্লাবের খেলোয়াড়, নামও একই। তবে এই গারসন সেই উচ্চতায় উঠতে পারবে কিনা, তা তো সময়ই বলে দেবে। তবে এরই মধ্যে যথেষ্ট প্রতিশ্রুতির আলো কিন্তু ছড়িয়েছেন ব্রাজিলের বয়সভিত্তিক প্রতিভা পরিচর্যা কাঠামোয় বেড়ে ওঠা এই ফুটবলার। মাঝমাঠ শক্তিশালী করতে বার্সা আর্সেনাল থেকে অ্যারন রামসেকেও দলে ভেড়াচ্ছে বলে জানা গেছে।
মাঝমাঠের শূন্যতার ভার নিতে এই মৌসুমে অনেকটা নিচে নেমে খেলতে হয়েছে মেসিকে। তার পরও দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। হয়তো আগামী মৌসুম থেকে মেসির ওপর মাঝমাঠের চাপ কমিয়ে তাঁকে আরও বেশি আক্রমণভাগে চায় বার্সা।
কেএইচ





