দক্ষিণ আফ্রিকার দেয়া ৪০৯ রানের লক্ষ্য ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৫৩ রান সংগ্রহ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্রিজে আছেন রামদিন (১) ও ড্যারেন স্যামি (১)।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১২ রানে অ্যাবোটের বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে যান মাত্র ৩ রান করা গেইল।
দলের রানের খাতায় আর মাত্র চার রান যোগ হতে সেই অ্যাবোটের বলে ডি ককের তালুবন্দী হয়ে মাঠ থেকে বিদায় নেন ওয়ানডাউনে ব্যাট করতে নামা স্যামুয়েলস (০)।
১১তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ৫২ রানে আউট হন কার্টার (১০)। পরের ওভারের প্রথম বলেই বিদায় নেন স্মিথ (৩১)। তাহিরের বলে মিলারের হাতে ক্যাচ আউট হন এই তারকা। একই ওভারের শেষ বলে সিমন্সকে (১) এলবিডব্লিউ'র ফাঁদে ফেলেন তিনি।
শুক্রবার সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময় ৪০৮ রান সংগ্রহ করেছে টসজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকা।
দলীয় ১৮ রানে ওপেনার ডি কককে হারায় তারা। ১২ রান করে জ্যাসন হেল্ডারের বলে আন্দ্রে রাসেলের হাতে ক্যাচ আউট হন তিনি।
তবে ওয়ানডাউনে মাঠে নামা ডু প্লেসিসকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন হাশিম আমলা। উভয় ব্যক্তিগত হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এতে তাদের জুটি থেকে আসে ১২৮ রান। তবে ৬৫ রানে গেইলের বলে এলবিডব্লিউ'র ফাঁদে পড়েন আমলা। এরপর দলের রানের খাতা আর মাত্র এক রান যোগ হতে একই ওভারে রামদিনের হাতে ক্যাচ আউট হন ডু প্লেসিস।
রুশো ও ডি ভিলিয়ার্স ১৩০ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নিয়ে যান। ৩৯ বলে ৬টি চার ও একটি ছক্কায় ৬১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান।
এদিকে ক্যারিবীয় বোলারদেরকে তুলোধুনো করতে থাকেন ডি ভিলিয়ার্স। শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে ১৬২ রান করেছেন তিনি। ৬৬ বলে ৭টি চার ও ৮টি ছক্কায় এই স্কোর করেন তিনি।
মিলার ২০ রান করে আউট হলেও ১০ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন বেহারদেইন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলার গেইল ও রাসেল দুটি করে উইকেট পান। একটি উইকেট নেন হোল্ডার।
জেডআই





