বিপিএলে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ৬ উইকেটে জয় পেয়েছে নাসিরের সিলেট সিক্সার্স।

আজ (রোববার) লিগের তৃতীয় ম্যাচে স্বাগতিক সিলেট সিক্সার্সের মুখোমুখি হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। টস জিতে সিলেটের অধিনায়ক নাসির হোসেন কুমিল্লাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায়।

৬ উইকেটের বিনিময়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৫ রান করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। জবাবে খেলতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নাসির বাহিনী।

কুমিল্লার হয়ে দেখেশুনে শুরু করেন ওপেনার লিটনকুমার দাস ও ইমরুল কায়েস। এই দুইজন দলকে ভালোই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে তা কী আর বসে বসে দেখার পাত্র সিলেটের অধিনায়ক নাসির। বল হাতে অ্যাকশনে নেমেই সফলতা।

ইনিংসের পঞ্চম ওভারে নাসির ভাঙেন ভিক্টোরিয়ান্সের দুই ওপেনারের জুটি। নাসিরের বল সজোরে মারতে চাইলে ইমরুলের ব্যাটের কোনায় লেগে সরাসরি স্ট্যাম্পে আঘাত হানে। ফলে ১২ রান করেই সাজঘরে ফেরেন কুমিল্লার এই ওপেনার।

এর পরই তাইজুলের জোড়া আঘাত। পর পর ব্যক্তিগত দুই ওভারে তুলে নেন লিটন দাস ও জস বাটলারের উইকেট। লিটন ২১ আর বাটলার ফেরেন ২ রানে।

এরপর মারলন স্যামুয়েলমস আর অলক কাপালি দলকে টেনে নেয়ার চেষ্টা করেন। তবে ৮৬ রানের মাথায় ফিরে যান অলক কাপালি। সানটোকির বলে খেলতে গিয়ে ব্যক্তিগত ২৬ রানে ফিরে যান তিনি। এরপর দলীয় ১১৪ রানের মাথায় ৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন আফগান ক্রিকেটার মোহাম্মদ নবী। আঘাত হানেন সেই সানটোকি।

কুমিল্লার শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরত যান একাই লড়াই চালিয়ে যাওয়া স্যামুয়েলস। প্লাঙ্কেটের বলে ব্যক্তিগত ৬০ রানে সাজঘরমুখী হন তিনি। শেষ পর্যন্ত ডোয়াইন ব্রাভোর ১১ এবং সাইফুদ্দিনের ১ রানের ইনিংসে ২০ ওভারে ১৪৫ রান করতে সমর্থ কুমিল্লার ক্রিকেটাররা।

সিলেটের হয়ে তাইজুল ও সানটোকি ২টি করে এবং নাসির ও প্লাঙ্কেট ১টি করে উইকেট নিয়েছেন।

এমবি