১১তম যুব বিশ্বকাপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ গ্রুপ ‘ডি’ গ্রুপের রানারআপ নেপাল। নিউজিল্যান্ড ও আয়াল্যান্ডকে হারিয়ে দেওয়া নেপাল এবারের যুব বিশ্বকাপে বেশ চমকই দেখিয়েছে।
আইসিসির সহযোগী দেশ হয়েও ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং- তিন বিভাগেই নেপাল বেশ ভয়ংকর। এজন্য দলটিকে নিয়ে বাড়তি সতর্ক বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
মঙ্গলবার নামিবিয়ার বিপক্ষে ৮ উইকেটের বড় জয়ের পর মিরাজ বলেন, ‘গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় নেপালের বিপক্ষে আমাদের খেলতে হবে। এ দলটির বিপক্ষেই আমাদের বেশি সাবধান থাকতে হবে। কারণ এই দলগুলোর বিপক্ষেই দূর্ঘটনা বেশি হয়। আমাদের লক্ষ্য থাকবে কোনো দূর্ঘটনা যেন না ঘটে। আমাদের ধারাটা সব মুহূর্তে ঠিক রাখতে হবে। আমরা ঠিক পথে থাকলে সব দরজা আমাদের জন্য খোলা থাকবে। আমাদের সব কিছু যদি ঠিক থাকে, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য যদি থাকে, তাহলে ভালো কিছু করা সম্ভব।’
অপরাজিত থেকে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে পেরে বেশ খুশি মিরাজ। ম্যাচ শেষে ড্রেসিং রুমে ‘আমরা করব জয়’ গানটি গেয়ে জয় উদযাপন করেছে বাংলাদেশ, যা মাঠ থেকে স্পষ্টই শোনা যাচ্ছিল। নামিবিয়া ম্যাচ নিয়ে মিরাজের ভাষ্য, ‘অধিনায়ক হিসেবে আমার খুব ভালা লাগছে। আজকের ম্যাচটা আমরা জিতেছি, আমার রেকর্ডটাও হলো। আমরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলাম। সব মিলিয়ে খুব ভালো লাগছে।’
তবে এ ভালোলাগাকে দীর্ঘ করতে চান না মিরাজ। চতুর্থবারের মতো নক আউট পর্বে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এখানে সামান্য থেকে সামান্যতম ভুল হলেই বিপত্তি, তা খুব ভালোভাবেই জানেন মিরাজ। তাই তো উচ্ছ্বাস লুকিয়ে গম্ভীর রূপ ধারণ করে মিরাজ বললেন, ‘ভালো লাগাটা এখানেই শেষ করলে হবে না। আমাদের যেতে হবে আরো অনেক দূর। ভালো লাগা এখানেই থামলে আমরা বেশি দূর যেতে পারব না। লক্ষ্য পূরণ করতে পারব না।’
শেষ আটের প্রতিপক্ষ নেপালকে মূল্যায়ন করে মিরাজ বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে নেপালের ম্যাচটি আমরা দেখেছি। আমাদের কাছে মনে হয়েছে আমরা আমাদের সেরাটা খেলতে পারলে নেপাল ভালো কিছু করতে পারবে না! আমরা আমাদের লেভেল, আমাদের স্ট্যান্ডার্ড জানি। আমারা কতটুকু তাদের থেকে এগিয়ে থাকব সেটাও জানি। তবে এই লেভেলটা আমাদের ম্যাচে ধরে রাখতে হবে। নেপালকে হালকাভাবে নিলে চলবে না। ওরা ভালো খেলেছে বলেই কোয়ার্টারে এসেছে।’
ওএফ





