টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের দরজায় দাঁড়িয়ে আছে নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় ম্যাচে জিতলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে দলটির। প্রতিপক্ষ পাকিস্তানও আছে কঠিন হিসাব-নিকাশে। এ ম্যাচে হারলে সেমির দৌড় থেকে অনেকটা ছিটকে পড়বে দলটি। তাই জয়ের বিকল্প দেখছে না আফ্রিদিরা। এমন সমীকরণের ম্যাচে পাকিস্তানকে ১৮১ রানের টার্গেট দিয়েছে কিউইরা।
মঙ্গলবার মোহালিতে পাঞ্জাব ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। মার্টিন গাপটিলের ব্যাটিং নৈপুণ্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান সংগ্রহ করেছে তারা।
ব্যাট হাতে ক্রিজে আসেন গাপটিল ও কেন উইলিয়ামসন। দলীয় নেতা আস্তে চললেও গাপটিল মারমুখী ব্যাটিং করেন। এতে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৫ রান জমা করে তারা। পাওয়ার প্লের পর উইলিয়ামসনকে বিদায় করে দেন মোহাম্মদ ইরফান। শহীদ আফ্রিদির হাতে ক্যাচ তুলে দেয়ার আগে ২১ বলে একটি চারে মাত্র ১৭ রান করেন তিনি।
ক্রিজে এসে কলিন মুনরো স্থায়ী হতে পারেননি। সাত রান করে বিদায় নিয়েছেন। কিন্তা গাপটিলের দ্বৈরথ চলছিল। অবশেষে তাকে থামিয়ে দিলেন মোহাম্মদ সামি। বোল্ড হওয়ার আগে ৮০ রান করেছেন কিউই ওপেনার। ৪৮ বলে ১০টি চার ও তিনটি ছক্কায় এই স্কোর করেন তিনি।
তারপর ১৪ বলে ২১ রান করা কোরি অ্যান্ডারসন বিদায় নিলে রানের গতি কিছুটা থেমে যায়। রস টেইলর ও রঞ্চি মাঠে এসে টিকে থাকার চেষ্টা করেন। তবে রঞ্চিকে টিকতে দেননি সামি। ১১ রান করেই শোয়েব মালিকের তালুবন্দী হন তিনি। টেইলর শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে ২২ বলে ৩৩ রান করেন।
পাকিস্তানের বোলার শহীদ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ সামি দুটি করে উইকেট শিকার করেন। একটি উইকেট পান মোহাম্মদ ইরফান।
নিউজিল্যান্ড একাদশ: গাপটিল, কেন উইলিয়ামসন, মুনরো, কোরি অ্যান্ডাসন, টেইলর, ইলিয়ট, সান্টনার, রঞ্চি, মিলনে, ম্যাকক্লিনাঘান ও সোধি।
পাকিস্তান একাদশ: আহমেদ শেহজাদ, শারজীল খান, খালিদ লতিফ, উমর আকমল, শোয়েব মালিক, সরফরাজ আহমেদ, শহীদ আফ্রিদি, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ আমির, মোহাম্মদ সামি ও মোহাম্মদ ইরফান।
ওএফ





