প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ। তাই স্বাগতিকদের প্রত্যাশাটাও বেশি। কিন্তু এশিয়া কাপে নবাগত আফগানিস্তানের বিপক্ষে হেরে দর্শকদেরকে হতাশ করেছিলেন মুশফিকরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে প্রতিপক্ষ সেই আফগানিস্তান। এবার কঠিন প্রতিশোধ নিয়ে বড় জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা।
রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে মাত্র ১৭.‌১ ওভারে ৭২ রানে আফগানদেরকে অল আউট করে দেয় বাংলাদেশ। জবাবে ১২ ওভারে ৯ উইকেটে জয় তুলে নেয় তারা।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম জয়টি পেয়েছিল ২০০৭ সালে। সেই প্রথম ম্যাচের প্রথম জয়ের পর খেলেছে আরো ১০টি ম্যাচ। কিন্তু জয়ের দেখা আর মেলেনি। ২০১৪ সালটিও ছিল যেন হারের বছর। এ বছর ১১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে একটিতেও জয় পায়নি। অবশেষে আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয় নামক সোনার হরিণটি ধরা দিল টাইগারদেরকে।
এই ম্যাচে শুরু থেকে দুর্দান্ত ছিল বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং বেছে নেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ওপেনিং ওভারের প্রথম বলে উইকেট শিকার করে দলকে শুভ সূচনা করে দেন মাশরাফি।
এরপর সাকিবের ঘূর্ণিতে ষষ্ঠ ওভারে পর পর দুটি উইকেট হারায় আফগানিস্তান। দ্বিতীয় জুটিতে ৩৬ রান এনে দেয়া নাজিব ও গুলবুদ্দিনকে বিদায় করে দেন সাকিব। পরে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় ২০ ওভারই পূর্ণ করতে পারেনি আফগানরা। দলের পক্ষে গুলবুদ্দিনের ২১ রানই সর্বোচ্চ। এছাড়া শফিকুল্লাহর ১৬ রান ও করিম সাদিকের ১০ রানই দুই অঙ্কের ঘরের স্কোর।
বাংলাদেশের বোলার সাকিব মাত্র ৩.১ ওভারে ৮ রান দিয়ে ৩টি উইকেট শিকার করেন। আব্দুর রাজ্জাক নেন ২টি উইকেট। এছাড়া মাশরাফি, মাহমুদুল্লাহ ও ফরহাদ রেজা একটি করে উইকেট নেন।
সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করেন তামিম ইকবাল ও এনামুল হক। দলীয় ৪৫ রানে সামিউল্লাহর বলে এলবিডব্লিউ'র ফাঁদে পড়েন তামিম। ২১ রান করে তিনি আউট হলেও ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন এনামুল। ৩৩ বলে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায় এই স্কোর করেন তিনি। তার সঙ্গে ১০ রান নিয়ে খেলা শেষ করেন সাকিব।