চিয়াগো সিলভার গোলে কোয়ার্টার-ফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল। এরপর আরেক ডিফেন্ডার দাভিদ লুইসের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিকরা। ব্যবধান কমিয়েছেন হামেস রদ্রিগেস।

এগিয়ে যাওয়ার পরও ব্রাজিলের আক্রমণাত্মক ফুটবলে নিজেদের রক্ষণ নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকতে হয় হোসে পেকারমানের শিষ্যদের। টানা ৪ ম্যাচ জিতে শেষ আটে পৌঁছানো দলটি প্রথমার্ধে তেমন কোনো পরিস্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।

ফ্রেদ নিষ্প্রভ থাকলেও নেইমারের সঙ্গে কলম্বিয়ার রক্ষণসীমায় হাল্কেরও বিপজ্জনক উপস্থিতি ছিল। গোলরক্ষক ওসপিনার দৃঢ়তায় অন্তত দুবার হতশায় পুড়তে হয় এই ফরোয়ার্ডকে।

শুক্রবার ফরতালেজার আরেনা কাস্তেলাওয়ে প্রথম কর্নারটিকেই গোলে পরিণত করে ব্রাজিল। নেইমারের কর্নার লাফিয়ে উঠলেও মাথা ছুঁয়াতে পারেননি দাভিদ লুইস। কিন্তু পেছনেই থাকা চিয়াগো সিলভা হাঁটু দিয়ে বল জালে ঠেলে দেন।

চার মিনিট পর সমতা ফেরানোর ভালো একটা সুযোগ পায় কলম্বিয়া। হুয়ান কাদরাদোর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে বেঁচে যায় ব্রাজিল।

২০তম মিনিটে দাভিদ ওসপিনার দৃঢ়তায় বেঁচে যায় কলম্বিয়া। নেইমারের কাছ থেকে পাস পেয়ে হাল্কের জোরালো শট কোনোমতে ঠেকান কলম্বিয়ার গোলরক্ষক। ফিরতি বলে অস্কারের শট ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকান তিনি।

আট মিনিট পর আবারো হাল্ককে হতাশ করেন ওসপিনা। মার্সেলোর ক্রস ডি বক্সে বুক দিয়ে নামিয়ে এক টোকায় একটু সামনে বাড়িয়ে পা বায়ে শট নেন জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গের স্ট্রাইকার। কিন্তু এবারো তার শট ফেরান নিসের গোলরক্ষক।

৪৪তম মিনিটে বিপজ্জনক জায়গায় ফ্রিকিক পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি নেইমার।

৬৯তম মিনিটে লুইসের অসাধারণ এই ফ্রিকিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্রাজিল। রক্ষণে মানবদেয়ালের  ঠিক ওপর দিয়ে ডানদিকে বার ঘেঁষে কলম্বিয়ার জাল খুঁজে নেন এই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন ওসপিনা কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারেননি তিনি।

চিয়াগো সিলভার গোলে কোয়ার্টার-ফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল। এরপর আরেক ডিফেন্ডার দাভিদ লুইসের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিকরা। ব্যবধান কমিয়েছেন হামেস রদ্রিগেস।

এই ম্যাচের জয়ী দল সেমি-ফাইনালে জার্মানির মুখোমুখি হবে।

ঢাকা, ৫ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ