এশিয়া কাপে প্রথম দুই ম্যাচে হেরে গেলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করে ওয়ানডেতে নিজেদের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলে টাইগাররা। ব্যাটের পর বল হাতেও সফল ছিল তারা। কিন্তু ফের সেই আফ্রিদি। যার ছক্কায় আগের ম্যাচে হেরেছে ভারত। তার ব্যাট এই ম্যাচে শুধু পাকবাহিনীকে জয় এনেই দেয়নি; কাঁদিয়েছে বাংলাদেশকেও। শেষ দিকে তার ছক্কা ঝড়ে তিন উইকেটে হেরেছে লাল সবুজ বাহিনী। সেই সঙ্গে শ্রীলংকার সঙ্গে ফাইনালে নাম লিখিয়েছে পাকিস্তান।
মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারতি ৫০ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ৩২৬ রান করে টস জয়ী বাংলাদেশ। জবাবে এক বল হাতে থাকতে তিন উইকেটে জয় তুলে নেয় পাকিস্তান।
রানের পাহাড় তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৯৭ রান করে পাকিস্তান। এতে ৫২ রান অবদান রাখা মোহাম্মদ হাফিজকে আউট করে দিয়ে দলকে স্বস্তিতে ফেরান মুমিনুল। তার বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ইমরুল কায়েসের তালুবন্দী হন হাফিজ। সাকিবের বলে বোল্ড হয়ে দ্রুতই মাঠ ছাড়েন মিজবাহ (৪)। এরপর সেই মুমিনুলের বলে উইকেটরক্ষক এনামুলের হাতে তালুবন্দী মাঠ থেকে বিদায় নেন শোয়েব মাকুসদ।
দ্রুত তিন উইকেট হারালেও ফাওয়াদ আলমকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন শেহজাদ। দেখতে দেখতে করে ফেলেন ক্যারিয়ারের ৫ম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেন তিনি। ১০৩ রান করেই আব্দুর রাজ্জাকের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে যান এই তারকা।
এক ওভারও বল না করে ৮ রান দেয়া আব্দুর রেহমান ৮ বলে ৮ রানে করেই আউট হন। তাকে আউট করে যেন বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। কারণ মাহমুদুল্লাহর যে ওভারে রেহমান আউট হন সেই ওভারের শেষ চার বলেই ১৫ রান নিয়েছেন আফ্রিদি।
এখানেই শেষ নয়। পরের ওভারে সাকিবকে বেধড়ক পিটিয়ে মাত্র ৬ বলে নেন ২০ রান। এরপর আল আমিন হোসাইনের বলে একটু থেমে যান তিনি। তবে সবচেয়ে দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরি করার রেকর্ডটি হাতছাড়া করেন তিনি। অবশেষে ১৮ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করেন গত ম্যাচে দুই ছক্কায় ভারতকে হারিয়ে দেয়া এই অল রাউন্ডার। ১৭ বলে দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির রেকর্ডটি জয়সুরিয়ার।
মুশফিক আফিদ্রির একটি ক্যাচ মিস করায় কান্নায় ভেঙে পড়ে অনেক সমর্থক। অবশেষে তাকে রান আউট করেন সাকিব। মাঠ ছাড়ার আগে ২৫ বলে ২টি চার ও ৭টি ছক্কায় ৫৯ রান করেন আফ্রিদি।
তারপর দলকে জয়ের আরো কাছে নিয়ে যান ফাওয়াদ। শেষ ওভারের চতুর্থ বলে আউট হওয়ার আগে ৭৪ রান করেন তিনি। বাংলাদেশের বোলার মুমিনুল হক দুটি উইকেট পান।
এর আগে বাংলাদেমের এনামুল ১০০ রান করেন। ৫৯ রান করে আউট হন ইমরুল কায়েস। ৫১ রান করে মুমিনুল আউট হলেও একই স্কোর নিয়ে অপরাজিত থাকেন মুশফিকুর রহিম। তার সঙ্গে মাত্র ১৬ বলে হার না মানা ৪৪ রানের ইনিংস খেলেন সাকিব আল হাসান।
খেলা
আফ্রিদি কাঁদালো বাংলাদেশকে
এশিয়া কাপে প্রথম দুই ম্যাচে হেরে গেলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করে ওয়ানডেতে নিজেদের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলে টাইগাররা। ব্যাটের পর বল হাতেও সফল ছিল তারা।





