প্রতিযোগিতায় ১১ জন বিচারক প্যানেলের ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রূপা জেতেন জাহিদ। এই রায়ে সন্তুষ্ট হতে পারেননি জাহিদ, পুরস্কারের মঞ্চেই তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বসেন। পুরস্কার নিয়ে মঞ্চ থেকে নামার পর পুরস্কারে লাথি দিয়ে তিনি প্রতিবাদ করেন।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে রীতিমতো। বাংলাদেশ শরীর গঠন ফেডারেশন এই ঘটনার প্রেক্ষিতে জরুরি সভা আয়োজন করে। সেই সভায় জাহিদ হাসান কাজলকে আজীবন বহিষ্কারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ফেডারেশনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানিয়েছেন। এ বিষয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এমন কর্মকান্ডে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন অডিটোরিয়ামের অন্য শরীরগঠনবিদরাও। প্রতিযোগিতা চলাকালীন শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে জাহিদ হাসান। ফলে খেলাধুলায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তাকে আজীবন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’

তার প্রতিবাদের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, এরূপ আচরণের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি, ‘আমি প্রথম হওয়ার যোগ্য। আমাকে প্রথম দেয়া হয়নি। বিচারকরা সঠিক রায় দেননি। এর প্রতিবাদে আমি এমন আচরণ করেছি।’

এন