বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করতে পারবে না জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। বিসিবির গঠনতন্ত্র সংশোধনের ক্ষমতা শুধু তাদেরই, এ ব্যাপারে এনএসসির হস্তক্ষেপ করার কোনো এখতিয়ার নেই।
আজ বুধবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন ৩সদস্যের আপিল বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দিয়েছেন।
অপর সদস্যরা হলেন-বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও মির্জা হোসাইন হায়দার। বিসিবির সংশোধিত গঠনতন্ত্র অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে এই রিট দায়ের করা হয়েছিল।
এর আগে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি বিসিবি সংশোধিত গঠনতন্ত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট।
এর পরের দিন ২৮ জানুয়ারি হাইকোর্টের এ রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে এনএসসি ও বিসিবি। ওই দিনই বিসিবির সংশোধিত গঠনতন্ত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। বিভিন্ন সময়ে এই স্থগিতাদেশ বাড়ানো হয়।
২০১২ সালের নভেম্বরে গঠনতন্ত্রের সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন বিসিবির সাবেক পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোবাশ্বের হোসেন এবং বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের সভাপতি ইউসুফ জামিল বাবু।
রিট আবেদনে বলা হয়, বিসিবির বিশেষ সাধারণ সভায় কাউন্সিলরদের মতামত নিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) কাছে গঠনতন্ত্র পাঠানো হয়েছিল। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ গঠনতন্ত্র যাচাই-বাছাই করে সংশোধন করে বিসিবিতে ফেরত পাঠায়।
ফের বিসিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরামর্শে গঠনতন্ত্র সংশোধন করে এনএসসি। এ রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ১৩ ডিসেম্বর আদালত রুল জারি করেন। রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।
এমবি





