বসুন্ধরা সিমেন্ট পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে অভিষেকেইহ্যাটট্রিক করেন তাইজুল ইসলাম। আর তাইজুলের বোলিং তোপে পড়ে মাত্র ১২৮ রানেইগুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। তাইজুল একাই ৪টি উইকেট তুলে নেন। ৭ ওভারে মাত্র ১১রান দেন তিনি।
এর আগে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ের আমন্ত্রণ পায় স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে আগেব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক এলটন চিগুম্বুরা।
সফরকারীদের হয়ে ব্যাটিং উদ্বোধন করতে আসেন হ্যামিলটন মাসাকাদজা এবং সিকান্দাররাজা। ম্যাচের পঞ্চম ওভারে বাংলাদেশের সেরা পেসার মাশরাফি উইকেটের পিছনেমুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরতে বাধ্য করেন রাজাকে।
পাওয়ার প্লে’র দশ ওভারে জিম্বাবুয়ের রানের চাকা সচল রাখেন হ্যামিলটন মাসাকাদজা।দশ ওভারে তারা এক উইকেট হারিয়ে তোলে ৬০ রান।
দ্রুত এক উইকেট হারানোর পর বড় জুটি গড়েছেন মাসাকাদজা এবং ভুসি সিবান্দা। এ দুইব্যাটসম্যান ৭৯ রানের একটি জুটি গড়েন। এরপর জুবায়ের হোসেন দলীয় ৯৫ রানের মাথায়বোল্ড করে ফেরান ২৫তম ওয়ানডে অর্ধশতক করা মাসাকাদজাকে।
২০ ওভার শেষে সফরকারীরা দুই উইকেট হারিয়ে তোলে ১০৭ রান।
মাশরাফি-জুবায়েরের পর জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের সাজঘরে ফেরানোর দায়িত্ব পালনকরেন সাকিব আল হাসান। ২১তম ওভারের তৃতীয় বলে ব্রেন্ডন টেইলরকে বোল্ড করেসাজঘরের পথে যেতে বাধ্য করেন সাকিব। টেইলর আউট হওয়ার আগে করেন ৯ রান।
নিজের পরের ওভারে আবারো আক্রমণে এসে ভুসি সিবান্দাকে আউট করেন সাকিব। সিবান্দামাশরাফির তালুবন্দি হওয়ার আগে করেন ৩৭ রান। ২৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে জুবায়েরবোল্ড করে ফেরান মারুমাকে।
এ ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে অভিষেক ঘটল তাইজুল ইসলাম এবং সৌম্যসরকারের।আগের চার ম্যাচ জিতে বেশ ফুরফুরে মেজজেই আছে মাশরাফিরা। আর এ ম্যাচেটাইগারদের লক্ষ্য থাকবে জিম্বাবুয়েকে বাংলাওয়াশের লজ্জায় ফেলার।
এদিকে প্রথম তিনটি ম্যাচে টাইগাররা বড় ব্যবধানে জিতলেও চতুর্থ ম্যাচে দারুণপ্রতিরোধ গড়ে তোলে সফরকারীরা। তাই এ ম্যাচে চিগুম্বুরাদেরও লক্ষ্য থাকবে সফরেরএকমাত্র জয় পাওয়ার।
প্রথম ম্যাচে টাইগাররা ৮৭ রানে, দ্বিতীয় ম্যাচে ৬৮ রানে, তৃতীয় ম্যাচে ১২৪ রানেএবং চতুর্থ ম্যাচে ২১ রানের জয় পায়।
এর আগে দু’দলের তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ৩-০তে জয় পায় বাংলাদেশ। আর ওয়ানডেসিরিজের শেষ জয়টি পেয়ে বিশ্বকাপের আগাম প্রস্তুতিটাও ভালোভাবেই করতে চায়সাকিব-তামিমরা-মুশফিক-মাশরাফিরা।
কেএইচ





