আগের দুই ম্যাচে ১-১ ব্যবধানের সমতা নিয়েই এজবাস্টন টেস্ট খেলতে নামে পাকিস্তান। স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের প্রথম ইনিংসটা ছিল চমৎকার। তাই এই ম্যাচের ফলাফল নিজেদের অনুকূলে হবে; এমনটাই প্রত্যাশা ছিলছিল পাকিস্তান সমর্থকদের।

কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে ১৪১ রানে হেরেছে দলটি। এর ফলে চার ম্যাচ সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিক ইংল্যান্ড।

এজবাস্টনে প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের ২৯৭ রানের জবাবে পাকিস্তানের শুরুটা ছিল অসাধারণ। আজহার আলীর ১৩৯ এবং সামি আসলামের ৮২ রানে ভর করে ৪০০ রান করেছিল পাকিস্তান। এরপর নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে টেস্টের পঞ্চম দিনে ৪৪৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে ইংল্যান্ড।

শেষদিনে জয়ের জন্য ৩৪২ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। দলীয় ৬ রানে মোহাম্মাদ হাফিজকে হারিয়ে কিছুটা ধাক্কা খায় পাকিস্তান। তবে প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও পাকিস্তানের হাল ধরেন সামি আসলাম। কিন্তু তাকে শেষপর্যন্ত কেউ সঙ্গ দিতে না পারায় জয়ের বন্দরে পৌঁছতে পারেনি সফরকারীরা।


পাকিস্তানের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ৭০ রান আসে সামি আসলামের ব্যাট থেকে। তাছাড়া ইউনিস খান ৩৮, সোহেল খান ৩৬, মোহাম্মাদ আমির ১৬ এবং মিসবাহ-উল-হক ১০ রানে আউট হন। দ্বিতীয় ইংনিসে মিডলঅর্ডারের কেউ প্রতিরোধ গড়তে না পারায় জয়ের মুখ দেখতে পারেনি পাকিস্তান।

বল হাতে ইংল্যান্ডের হয়ে অ্যান্ডারসন, ব্রড, ওয়াকস, ফিন, এবং মঈন আলী ২টি করে উইকেট পান। ব্যাট হাতে রান (৬৩ ও ৮৬*) এবং বল হাতে উইকেট নেওয়ায় ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠে মঈন আলীর হাতে।

১১ আগস্ট ওভালে সিরিজের চতুর্থ ও শেষ টেস্টে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও ইংল্যান্ড।

 

এমএনজে