বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম নাটকীয় টাইব্রেকারের সাক্ষী হয়ে থাকল রাশিয়ার নিজনি নভগোরোদ স্টেডিয়াম ও মাঠজুড়ে খেলা দেখতে আসা দর্শকরা। সঙ্গে বিশ্বের আনাচে কানাচে রাত জেগে খেলা দেখা ফুটবলপ্রেমীরা।

ক্রোয়েশিয়া ১৯৯৮ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে গিয়েই চমক দেখিয়েছিল, উঠেছিল সেমিফাইনালে। এরপর টানা তিনটি বিশ্বকাপে হতাশ করেছে তারা। দুইবার গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে, আর একবারতো মূল পর্বে খেলার সুযোগই পায়নি।

দীর্ঘদিন পর আবার তারা বিশ্বকাপে খেলতে গিয়েছে সোনালী প্রজন্ম নিয়ে। গ্রুপ পর্বে তার প্রমাণও দিয়েছিল আর্জেন্টিনার মতো দলকে তিন গোলে হারিয়ে। সে ধারাবাহিকতায় শেষ ষোলোর ম্যাচে টাইব্রেকারে ডেনমার্ককে ৩-২ হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় রাকিটিচ-মড্রিচরা।

এই জয়ে চতুর্থ দল হিসেবে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। এর আগে ফ্রান্স, উরুগুয়ে ও রাশিয়া কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে।

অবশ্য ম্যাচের নির্ধারিত সময়ে ছিল ১-১ গোলে সমতা ছিল। তাই খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও নিষ্পত্তি না হওয়ায় টাইব্রেকারে যায় খেলা। আর টাইব্রেকারে জয়ের উল্লাস করে ক্রোয়েটরা।

অবশ্য ম্যাচের প্রথম মিনিটেই এগিয়ে গিয়েছিল ডেনমার্ক। ডি-বক্সের মধ্যে জটলা ম্যাথিয়াস জর্গেনসনের শট ক্রোয়েশিয়া গোলরক্ষকের হাতে লেগে বল জড়ায় জালে।

অবশ্য গোলটি সমতা আনতে খুব বেশি সময় লাগেনি, চতুর্থ মিনিটে ম্যাচে ফিরে ক্রোয়েশিয়া। মারিও মান্দজুকিচ চমৎকার শটে গোল করেন।

ম্যাচের নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল হয়নি। অতিরিক্ত সময়ে শেষ দিকে এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করে ক্রোয়েশিয়া। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন অধিনায়ক লুকা মড্রিচ। যদিও শেষ পর্যন্ত তাঁর দল টাইব্রেকারে গিয়ে জিতেছে। এএস