আগের ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে দারুণ জয় তুলে নিলেও এক ম্যাচ পরই আবার বিবর্ণ দশা রাজশাহী কিংসের। রোববার বিপিএলে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ১১৫ রানের বেশি করতে পারেনি দলটি। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস হেরেছিল তারা। কুমিল্লাকে এ ম্যাচে জিততে করতে হবে ১১৬ রান।
রাজশাহীর শুরুটাই এদিন খুব ভালো কিছু হয়নি। স্কোরবোর্ডে ২৩ রান যোগ হতেই ফিরে যান আগের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় মুমিনুল হক (২)। আগের দিন যার ব্যাট থেকে এসেছিল ৬৩ রানের অপরাজিত ইনিংস। ৮ রানের ব্যবধানে ফিরে যান রনি তালুকদার (০)। তবে এক প্রান্তে লেন্ডন সিমন্স খেলছিলেন দুর্দান্ত। ২৩ বলে ১ ছয় আর ৬ চারে ৪০ রান তুলে নেন তিনি। কিন্তু এরপরই রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠে ছাড়তে হয় তাকে। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির শিকার এই ক্যারিবিয়ান।
এরপর অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম উইকেটে এসে ভালো শুরু করেন। কিন্তু ১৪ বলে ৩ চারে ১৬ রান করেই ফিরে গেছেন তিনি। জেমস ফ্র্যাঙ্কলিন ফিরে গেছেন ৭ রান করে। ১ রান করা ম্যালকম ওয়ালার কুমিল্লার বোলারদের পঞ্চম শিকার। তখন রাজশাহী যেন লজ্জা এড়ানোর লড়াইয়ে অবতীর্ণ। শেষ পর্যন্ত ফরহাদ রেজার অপরাজিত ২৫ আর মোহাম্মদ সামির অপরাজিত ১০ রানে ১১৫ রান করে তারা। কুমিল্লার বোলারদের মধ্যে অধিনায়ক মোহাম্মদ নবী নেন ৩ উইকেট। ২ উইকেট নিয়েছেন তারই স্বদেশী আফগান বিস্ময় স্পিনার রশিদ খান। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন আল-আমিন হোসেন ও ডোয়াইন ব্রাভো।
আগের ম্যাচের মতো এই খেলাতেও রাজশাহীকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মুশফিক। নিয়মিত অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি ইনজুরিতে। অন্যদিকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স সিলেটে খেলা তাদের দুই ম্যাচের কোনটিতে তামিম ইকবালকে পাননি। ঢাকায় শুরু থেকেই পাওয়ার আশা থাকলে এদিনও তাকে ছাড়াই নামতে হলো কুমিল্লাকে। তার পরিবর্তে দলটিকে যথারীতি নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোহাম্মদ নবী। তামিম আছেন ইনজুরি থেকে সেরে ওঠার পথে।





