বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল বাংলাদেশ। কিউইদেরকে ২৮৯ রানের লক্ষ্য বেধে দিয়েছে টাইগাররা।

শুক্রবার হ্যামিলটনের সেডন পার্কে মাহমুদুল্লাহর সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে সাত উইকেটের বিনিময় ২৮৮ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। তবে বরাবরের মতোই উদ্বোধনী জুটির ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।

দলীয় চার রানে ট্রেন্ট বোল্টের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে যান ইমরুল কায়েস। ১৯ বলে মাত্র ২ রান করেছেন এনামুলের পরিবর্তে বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়া এই ব্যাটসম্যান।

২৭ রানে মাঠ থেকে বিদায় নেন ওপেনার তামিম ইকবাল। ইনিংসের দশম ওভারে বোল্টের বলেই দ্বিতীয় স্লিপে কোরি অ্যান্ডারসনের হাতে ক্যাচ ক্যাচ তুলে দেন তিনি। মাঠ থেকে বিদায় নেয়ার আগে ২৭ বলে জমা করেন ১৩ রান।

আগের ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও দলের হাল ধরেন সৌম্য সরকার ও মাহমুদুল্লাহ। তাদের জুটি থেকে আসে ৯০ রান। হাফ-সেঞ্চুরির পর ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ভেট্টরির তালুবন্দী হন সৌম্য। ৫৮ বলে ৭টি চারে ৫১ রান করেন তিনি।

সাকিব ক্রিজে এসে দ্রুতই রানের চাকা ঘুরাতে শুরু করেন। কিন্তু বেশি দূর যেতে পারেননি। কোরি অ্যান্ডারসনের বলে উইকেটরক্ষক লুক রঞ্চির তালুবন্দী হন তিনি। ১৮ বলে ২৩ রান করেন এই অল রাউন্ডার।

মুশফিক এসে ১৫ রান করে সেই অ্যান্ডারসনের বলে রঞ্চির হাতে ক্যাচ আউট হন।

এরপর মাহমুদুল্লাহকে যোগ্য সঙ্গ দেন সাব্বির রহমান। দেখতে দেখতে বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মাহমুদুল্লাহ। ১২০ বলে দুটি চার ও তিনটি ছক্কায় ১০০ রান পূর্ণ করেন এই অল রাউন্ডার।

সাব্বিরও ঝড়ো ব্যাটিং করেন। ইলিয়টের বলে ম্যাককালাম দুর্দান্ত এক ক্যাচ ধরলে বিদায় নেন তিনি। মাঠ ছাড়ার আগে টি-টোয়েন্টি স্টাইলে ব্যাট করা সাব্বির ২৩ বলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪০ রান করেন।

নাসির ৭ বলে ১১ রান করে বিদায় নিলেও মাহমুদুল্লাহ অপরাজিত থাকেন। আগের ম্যাচে ১০৩ রান করা এই ব্যাটসম্যান এদিন ১২৮ রান করেন। ১২৩ বলে ১২টি চার ও ৩টি ছক্কায় এই স্কোর করেন।

এক বল হাতে থাকেত ক্রিজে নামা রুবেল হোসাইন কোনো বল মোকাবিলা করার সুযোগ পাননি।

নিউজিল্যান্ডের বোলার অ্যান্ডারসন, ইলিয়ট ও বোল্ট দুটি করে উইকেট পান।

এই ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাকিব আল হাসান। পায়ে চোট থাকায় বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে মূল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাকে।

জেডআই