আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে আজ হোস্ট ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। ট্রেন্টব্রিজে ম্যাচ শুরু হবে বিকেল সাড়ে তিনটায়। অধরা শিরোপায় নজর রেখে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে ইংল্যান্ড, প্রথম ম্যাচে হেরে কিছুটা ব্যাকফুটে পড়লেও আশা ছাড়ছে না ১৯৯২ চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান।
হোম গ্রাউন্ডে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ স্টার্ট থ্রি-লায়ন্সদের; লন্ডনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১০৪ রানের রাজসিক জয়। নটিংহ্যামের ব্যাটিং স্বর্গ ট্রেন্ট ব্রিজ। এই মাঠেই ওয়ানডে ইন্টারন্যাশনালে হাই স্কোর গড়ে দুই দুইবার বিশ্ব-রেকর্ড গড়েছে ইংলিশরা।
২০১৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষেই ৩ উইকেটে ৪৪৪ রানের পাহাড় গড়েছিল ইংলিশরা, পরের বছরেই আবার নিজেদের রেকর্ড ভাঙে দলটা, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ৬ উইকেটে করে ৪৮১ রান। দুই ম্যাচেই বড় ব্যবধানে জয় ইংল্যান্ডের। টেন্ট ব্রিজে পাকিস্তানের কোনও বিশেষণ মাঠে কাজে লাগাতে দেবেতো ইংল্যান্ড! হোস্টদের দর্শন যখন অ্যাটাক ইজ দ্যা বেস্ট ডিফেন্স।
ইংল্যান্ড অ্যাসিসন্ট্যান্ট কোচ গ্রাহাম থ্রপ ভালো করেই দেখেছেন ক্যারিবীয় বোলিংয়ের বিপরীতে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানের নাস্তানাবুদ অবস্থা। শট বল মোকাবেলাই ধুঁকেছে পাকিস্তান।
আনপ্রেডিক্টেবল পাকিস্তানের বিপক্ষে বোলিংয়ে পরিবর্তন আনতে পারে হোস্ট টিম ম্যানেজম্যান্ট; জোরেসোরে শোনা যাচ্ছে ফাস্ট বোলার মার্ক উডের নাম, জোফ্রা আর্চার, বেন স্টোকস, লিয়াম প্লাঙ্কেটতো আছেনই, প্রোটিয়াদের ধ্বসিয়ে দিয়েছিল জোফ্রা ঝড়। লেগি আদিল রশিদ আর মইন আলির স্পিন ঘুর্ণিও দিশেহারা করে দিতে পারে ইমামুল-ফখর জামানদের।
ইংল্যান্ডে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে সাত উইকেটে হার সরফরাজ বাহিনীর, বল ব্যবধানে বিশ্বমঞ্চে সবচেয়ে বড় হারের ইতিহাসটাও লিখে ফেলেছে দলটা। তবে ট্রেন্টব্রিজের যে বৈশিষ্ট তাতে সাপে বর হতে পারে পাকিস্তানেরও।
এ পর্যন্ত পাকিস্তানের বিপক্ষে ইংল্যান্ড ম্যাচ খেলেছে ৮৭টা, জিতেছে ৫৩ ম্যাচে, হেরেছে ৩১টাতে। তবে বিশ্বকাপে দুদলের হার-জিৎ ফিফটি-ফিফটি, ৯ বারের দেখায় চার জয় ইংলিশদের, চার পাকিস্তানের, ফলাফল দেখেনি এক ম্যাচ।
বিশ্বকাপে লর্ডস, লিডস আর ম্যানচেস্টারে খেলা হলেও বিশ্বকাপে ট্রেন্টব্রিজে খেলেনি দল দুইটা।
এসএম





