সর্বশেষ ২০১৮ সালের এশিয়া কাপ ফাইনালে একমাত্র সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন ওপেনার লিটন দাস। বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অল্পের জন্য পাননি দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। অপরাজিত ছিলেন ৯৪ রানে।
তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সুযোগ হাতছাড়া করেননি। ধারাবাহিকতায় চার-ছক্কায় করেছিলেন হাফসেঞ্চুরি। আর এখন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন লিটন দাস।
তার আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশের রানের চাকা। ৩৫.১ ওভারে ৩ উইকেটে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ১৯৩ রান।
লিটন ব্যাট করছেন ১১৫ রানে, মাহমুদউল্লাহ ১ রানে।
টস জিতে দুই ওপেনারে শুরুটা ছিল ঢিমে-তালে। লিটন ধীরে ধীরে আগ্রাসী ভঙ্গিতে খেলা শুরু করলেও তামিম এগিয়েছেন ধীর গতিতে। তবে ১৩তম ওভারে অভিষেক হওয়া ডানহাতি অফস্পিনার ওয়েসলি ম্যাডেভরে তাকে ফাঁদে ফেলেন এলবিডাব্লিউর।
তামিম রিভিউ নিলেও অনফিল্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই বহাল থেকেছে। তার বিদায়ে ভাঙে ৬০ রানের উদ্বোধনী জুটি। সর্বশেষ ৪ ওয়ানডেতে তামিমের স্কোর ছিল ৮, ০, ১৯ ও ২ রান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি, বিদায় নিয়েছেন ২৪ রানে।
তবে লিটনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দ্রুত সমৃদ্ধ হতে থাকে স্কোরবোর্ড। তাকে নাজমুল হোসেন শান্ত অনেকক্ষণ সঙ্গ দিয়েছেন। কিন্তু ক্যারিয়ারের চতুর্থ ওয়ানডেতে এসেও ইনিংস বড় করতে পারলেন না শান্ত।
২৯ রানে ব্যাট করতে থাকা এই ব্যাটসম্যানকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেছেন মুতুম্বোডজি। এরআগে আগে ৮০ রানের দুর্দান্ত এক জুটি উপহার দিয়েছেন দু’জন। এই জুটি ভাঙার পর মুশফিকুর রহিম তার সঙ্গে ৪২ রানের জুটি গড়েন। এই জুটি ভেঙে দিয়েছেন ডোনাল্ড টিরিপানো। মুশফিক ফিরেছেন ১৯ রানে।
বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), তাইজুল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান।
জিম্বাবুয়ে একাদশ: চামু চিবাবা (অধিনায়ক), টিনাশে কামুনহুকামউই, ব্রেন্ডন টেইলর, সিকান্দার রাজা, ওয়েসলি মাধেভেরে, রেজিস চাকাভা, রিচমন্ড মুতুমবামি, টিনোটেন্ডা মাটুমবডজি, ডনাল্ড টিরিপানো, ক্রিস এমপফু ও কার্ল মুম্বা।
এমবি





