এশিয়া কাপের আসরে আজ সন্ধায় খোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
পাক-ভারত ম্যাচ যেমন সারা বিশ্বে উত্তেজনা ছড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচেও সারা বাংলায় উত্তেজনা ছড়ায়। উত্তেজনার পারদ সারা বিশ্বের তুলনায় সারা বাংলায়ই মনে হয় বেশি! কেননা, ক্রিকেট নিয়ে বিজয়ে উচ্ছ্বাস-উন্মাদনা অার পরাজয়ে কান্না এটা বাঙালির পক্ষেই সম্ভব।
বড় বেশি আবেগ বাঙালির। জয়ে রাস্তায় মিছিল চলে আর পরাজয়ে চলে অশ্রুক্ষরণ। এটা সেই পাকিস্তান যাদের কাছে মাত্র দুই রানের পরাজয়ের আক্ষেপটা এখনো আফসোস বাড়িয়ে দেয়।
২০১২ সালের এশিয়া কাপের ২২ মার্চ মিরপুরে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শিরোপার সাথে স্বপ্নও বিসর্জন দেয় বাংলাদেশ। সেদিন হারের বেদনায় অঝরে কেঁদেছিলেন সাকিব-মুশফিকরা। সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে সেই কান্না দেখেছে সারা বাংলা এবং সারা বিশ্বও। নিজেরা্ও কেঁদেছে সঙ্গে কাঁদিয়েছিলেন দেশের ক্রিকেট প্রেমীদেরও। আজকের এই ম্যাচ যে সেই পরায়জটা ভুলিয়ে দেওয়ার ম্যাচ।
একটি জয়ই পারে পুরনো কথা ভুলিয়ে দিয়ে নতুন স্বপ্নে রাঙাতে। এই ম্যাচ নিয়ে অনেকেই ইতোমধ্যেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পেজে। রয়েছেন ক্রিকেটাররাও। সর্ব প্রথম মুশফিকুর রহিমই সকলের কাছে দোয়া চেয়ে লিখেছেন, ‘একটি জয়ই আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাবে এশিয়া কাপের ফাইনালে। দোয়া করবেন বাংলাদেশ দলের জন্য।’ এরপর সাব্বির তার পেজে পোস্ট করেছেন, ‘আজকে খেলার দিন, সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’ আর সাকিব তার পেজে লিখেছেন, ‘পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা বরাবরই একটু উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে থাকে, তাই টাইগাররাও প্রতীক্ষায় থাকে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য।’ ক্রিকেটার এবং ক্রিকেটপ্রেমী সকলের মধ্যেই সমান উত্তেজনা বিরাজ করছে এ ম্যাচ নিয়ে।
এশিয়া কাপের এবারের আসরের প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে বাংলাদেশ হেরে গেলেও পরের ম্যাচেই আমিরাতের বিপক্ষে জিতে জয়ের ধারায় ফিরে পরের ম্যাচেই দাপুটে জয় পেয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। আর এই দুই জয়েই টাইগাররা ফাইনালে খেলার স্বপ্ন দেখছেন যা পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পেলে সত্যি হয়ে ধরা দেবে।
টাইগারদের জন্য কী অপেক্ষা করছে এ ম্যাচে? পাকিস্তানের বিপক্ষে আরেকটি হারের বেদনা নাকি এশিয়া কাপের মঞ্চে পাকিস্তানকে প্রথমবার হারানোর হাসি? ফলাফল জানা যাবে রাতেই। তবে ম্যাচটি যে রোমাঞ্চকর ম্যাচ হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
এআইজে





