পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে দাপট দেখানো বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যেন খেলাই ভুলে গেছে। সফরকারীদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হেরে এবার লড়াই শুরু করেছে স্বাগতিকরা।
রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান সংগ্রহ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ১৮.৫ ওভারে ৯৬ রান সংগ্রহ করতেই ইনিংস গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের। ফলে ৫২ রানের ব্যবধানে হেরে যায় তারা।
এদিন বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানই দলকে আশার আলো দেখাতে পারেনি। ওয়ানডাউনে মাঠে নামা সাকিব সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন। এছাড়া লিটন দাসের ২২ রান ও মুশফিকের ১৭ রানই দুই অঙ্কের ঘরের স্কোর।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারে অ্যাবোটের শেষ বলে উইকেটরক্ষক ডি ককের হাতে ক্যাচ আউট হন ৫ রান করা তামিম। পরের ওভারে রাবাদার পঞ্চম বলে সীমানার কাছে ডুমিনির তালুবন্দী হন ৭ রান করা সৌম্য।
সাকিব ও মুশফিক জুটিতে দলের হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ হয়। ডুমিনির বলে মিলারের হাতে মুশফিক ক্যাচ আউট হলে ভেঙে যায় তাদের ৩৭ রানের জুটি।
এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। বাকি সময়টা ছিল শুধু হারের স্বাদ পাওয়ার সময়টাকে বিলম্বিত করা। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার রাবাদা, ডুমিনি ও উইসি দুটি করে উইকেট পান।
এদিন টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্বোধনী জুটি মাঠে টিকতে না পারলেও অধিনায়ক ডুপ্লেসিস ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। ওয়ানডাউনে ব্যাট করতে শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে ৭৯ রান করেছেন তিনি। ৬১ বলে ৮টি চারের সুবাদে এই স্কোর করেন।
ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা। উদ্বোধনী ওভারে আরাফাত সানির শেষ বলে মাশরাফির হাতে ক্যাচ আউট হন ওপেনার ডি ভিলিয়ার্স (২)।
চতুর্থ ওভারে নাসির হোসাইনের শেষ বলে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরে গেছেন ৮ বলে ১২ রান করা ডি কক।
তবে ডুমিনিকে সঙ্গে নিয়ে এক শক্ত জুটি গড়ে তোলেন ওয়ানডাউনে মাঠে নামা ডু প্লেসিস। অবশেষে ১২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ডুমিনিকে বিদায় করে দিয়ে ৪৬ রানের জুটি ভেঙে দেন আরাফাত সানি। নাসিরের হাতে দুর্দান্ত ক্যাচ আউট হওয়ার আগে ২২ বলে ১৮ রান করেছেন ডুমিনি।
১৪তম ওভারে সাকিবের দ্বিতীয় বলে এলবিডব্লিউ'র ফাঁদে পড়ে মাঠ থেকে বিদায় নিয়েছেন ডেভিড মিলার (১)।
তবে ডুপ্লেসিসকে যোগ্য সঙ্গ দেন রুশো। শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে অধিনায়কের সঙ্গে ৫৮ রানের জুটি গড়ে তোলেন তিনি। এতে ৩১ রান অবদান রাখতে ২১ বলে দুটি চার ও দুটি ছক্কা হাঁকান।
জেডআই





