ইংল্যান্ডের মতো নিউজিল্যান্ডকেও হারানোর স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে মাহমুদুল্লাহর সেঞ্চুরিতে কিউইদেরকেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়ার পর বল হাতেও দুর্দান্ত ছিল টাইগাররা। প্রায় সবই ছিল ঠিক আগের ম্যাচের মতো।
ব্যতিক্রমটা ছিল শুধু অধিনায়ক আর শেষ দিকে রুবেলের বোলিং করা নিয়ে। আর সেটাই যেন কাল হয়েছিল টাইগারদের জন্য। যেন এই দুটি কারণেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ মুহুর্তে হেরে গেল বাংলাদেশ।
কোয়ার্টার ফাইনালের কথা মাথায় রেখে এই ম্যাচে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাকে। ফলে সহ-অধিনায়ক সাকিব এ ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দেন।
তাতেও কোনো সমস্যা হয়নি। আগের ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও সেঞ্চুরি করলেন মাহমুদুল্লাহ। চ্যালেঞ্জিং স্কোর করলেন তারা। বল হাতেও সবাই দুর্দান্ত ছিলেন।
তবে প্রশ্নবিদ্ধ ৪৯তম ওভার! আগের ম্যাচে শেষ দুই ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ১৬ রান। ৪৯তম ওভারে রুবেলের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক মাশরাফি। চাপের মুখে থেকেও ওই ওভারে দুটি উইকেট তুলে নিয়ে অধিনায়কের মান রক্ষা করেছিলেন রুবেল।
এবার নিউজিল্যান্ডের দরকার ছিল ১১ রান। এখনও রুবেলের দুই ওভার বাকি। আট ওভারে ৪০ রান দিয়ে এক উইকেট শিকার করেছেন। ইকোনোমি ৫.০০। তার চেয়ে সেরা ইকোনোমি (৪.৭৫) চার ওভার বল করা সৌম্য সরকারের। অনেকের ধারণা ছিল এবারও সবাইকে 'হ্যাপি' করবেন রুবেল।
কিন্তু সেটি হয়নি। বল করতে আসেন অধিনায়ক সাকিব। তবে তার ওভারে চতুর্থ ও পঞ্চম বলে ছক্কা ও চার হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড।
সাকিব মোট ৮.৫ ওভারে ৫৫ রান দিয়েছেন। উইকেট পেয়েছেন চারটি। হয়তো উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়তে পরীক্ষিত রুবেলকে বল করতে দেননি তিনি! আর তাতেই কি হেরে গেল বাংলাদেশ!
জেডআই





