অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইট ওয়াশ করার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও প্রথম টেস্টে দাপট দেখিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের সেই দাপট ধুলায় মিশিয়ে দিল ব্লাক ক্যাপসরা। শেষ টেস্টে একদিন হাতে থাকতেই পাকিস্তানকে এক ইনিংস ও ৮০ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে ব্রেন্ডন ম্যাককালামরা।

এই জয়ের ফলে টেস্ট সিরিজ ড্র করেছে নিউজিল্যান্ড। প্রথম টেস্টে হেরে গেলেও দ্বিতীয় টেস্টটি ড্র করেছিল তারা। আর শেষ টেস্টে তুলে নিয়েছে এক অবিশ্বাস্য জয়।

রোববার টেস্টের চতুর্থ দিনে শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৬৯০ রানে নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংস শেষ হয়। এতে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসের চেয়ে ৩৪৯ রানে এগিয়ে থাকে তারা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে পাঁচ উইকেট হারানো পাকিস্তান আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। আসাদ শফিক একা লড়াই করে ১৩৭ রান করলেও ২৫৯ রানে শেষ হয়ে যায় পাকদের ইনিংস।

এদিন দলীয় ১৩ রানে পাকিস্তানের প্রথম উইকেট শিকার করেন কিউই বোলার ট্রেন্ট বোল্ট। তার বলে সাউদির হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান শান মাসুদ (৪)।

দলীয় ২০ ও ২৪ রানে আরো দুটি উইকেট নেন বোল্ট। ৬ রান করা আযহার আলীর বোল্ড হওয়ার পর এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন ইউনিস খান (০)। এরপর ক্রেইগকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে মাঠ থেকে বিদায় নেন ২৪ রান করা মোহাম্মদ হাফিজ।

মিজবাহ ও আসাদ শফিক দলের হাল ধরার চেষ্টা করলেও আবার আঘাত হানেন ক্রেইগ। দলীয় ৬৩ রান মাঠ থেকে চলে গেলেন ১২ রান মিজবাহ।

এরপর আশার আলো দেখান আসাদ শফিক ও সরফরাজ আহমেদ। তবে ৭৩ রানেই ভেঙ্গে যায় তাদের জুটি। ৩৭ রান করে সোধির বলে টেইলরের হাতে ক্যাচ তুলে দেন সরফরাজ। এরপর ২২ গজের এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে থেকে রান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন আসাদ। নবম উইকেটে বোল্টের বলে ক্রেইগের হাতে ক্যাচ আউট হওয়ার আগে ১৩৭ রান করেন তিনি। ১৮টি চার ও ছয়টি ছক্কার সুবাদে এই স্কোর করতে বল মোকাবিলা করেন ১৪৮টি।

নিউজিল্যাল্ডের বোলার বোল্ট চারটি, ক্রেইগ তিনটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ইশ সৌধি দুটি ও ভেট্টোরি একটি উইকেট পান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

পাকিস্তান: ৩৫১, মোহাম্মদ হাফিজ ১৯৭

নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংস: ৬৯০, ম্যাককালাম ২০২, কেন উইলিয়ামসন ১৯২ ও ক্রেইগ ৬৫

পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংস: ২৫৯, আসাদ শফিক ১৩৭ ও সরফরাজ আহমেদ ৩৭।

জেডআই