২০০৯ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল নেদারল্যান্ডস। সেই সময়ই সীমিত ওভারের ম্যাচে বড় দলগুলোর জন্য সতর্ক সঙ্কেত দিয়েছিল তারা। গত ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে সর্বনিম্ন স্কোর করলেও দমে যায়নি সহযোগী দলটি। এবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ফের জয়ের স্বপ্ন দেখে তারা। কিন্তু হেরেছে মাত্র ৬ রানে। বিপরীতে আরেকটি দুর্দান্ত জয় নিয়ে সেমিফাইনালে এক পা রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
গত ম্যাচে ডেইল স্টেইনের বোলিং তোপে ২ রানে হেরেছিল নিউজিল্যান্ড। এই ম্যাচে জ্বলে উঠেছেন ইমরান তাহির। নিয়েছেন চার উইকেট। চার ওভার বল করে খরচ করেছেন মাত্র ২১ রান। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন স্টেইনও। ১৯ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ২টি উইকেট। এতে জয়ের জন্য মাত্র ৭ রান দূরে থাকতে ইনিংস গুটিয়ে যায় নেদারল্যান্ডসের।
১৪৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুভ সূচনা করে ডাচরা। প্রথম ১০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা মাত্র ৩ উইকেট শিকার করলেও ৯০ রান সংগ্রহ করে তারা। কিন্তু শেষ ১০ ওভারে মাত্র ৫৬ রানও করতে পারল না। ১২.৫ ওভারে পঞ্চম উইকেট হারানোর পর মাত্র ২৩ রান সংগ্রহ করতেই ইনিংস শেষ হয়ে যায় তাদের। ১৮.৪ ওভারে অল আউট হওয়ার আগে দলীয় স্কোর দাঁড়ায় ১৩৯ রানে। দলের পক্ষে ওপেনার মাইবার্গ সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন। এছাড়া টম কুপারের ১৬ রানই উল্লেখযোগ্য।
এর আগে টস হেরে ব্যাট হাতে প্রথমে মাঠে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলীয় ৩ রানে ডি কক (০) মাঠ থেকে বিদায় নিলেও ওপেনার হাশিম আমলা ও ডু প্লেসিস ৪২ রানের জুটি গড়েন। আমলা ৪৩ রান করে মাঠ ছাড়ার পর ২৪ রানে আউট হন ডু প্লেসিস। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে দক্ষিণ আফ্রিকা করে ১৪৫ রান। নেদারল্যান্ডসের বোলার আহসান জামিল ১৯ রান দিয়ে ৫টি উইকেট শিকার করেন।
খেলা
দক্ষিণ আফ্রিকার আরেকটি দুর্দান্ত জয়
২০০৯ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল নেদারল্যান্ডস। সেই সময়ই সীমিত ওভারের ম্যাচে বড় দলগুলোর জন্য সতর্ক সঙ্কেত দিয়েছিল তারা।





