জিতলেই ফাইনাল, হারলে বিদায়। এমন আবহে টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে দিল্লিতে বুধবার মুখোমুখি হয়েছে নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড।

টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান সংগ্রহ করেছে কিউই শিবির। ফাইনালে উঠতে হলে ইংল্যান্ডকে করতে হবে ১৫৪ রান।

টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। দলীয় ১৭ রানের মাথায় তারা হারায় ওপেনার মার্টিন গাপটিলকে। ১২ বলে তিন চারে ১৫ রান করে উইলের বলে বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন গাপটিল।

তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন উইলিয়ামসন ও মুনরো। এই জুটি থেকে আসে ৭৪ রান। ২৮ বলে ৩২ রান করা কিউই অধিনায়ক উইলিয়ামসনকে নিজের বলে নিজেই ক্যাচ নেন ইংলিশ বোলার মঈন আলী। নিউজিল্যান্ডের দলীয় রান তখন ৯১।

তবে অপর প্রান্তে ঝড় তুলে যাচ্ছিলেন কলিন মুনরো। শেষ পর্যন্ত তাকে থামান প্লাংকেট। তবে যাওয়ার আগে ৩২ বলে করে যান ৪৬ রানের দারুণ এক ইনিংস। যেখানে ছিল সাতটি চার ও একটি ছক্কার মার।

এরপর অবশ্য ব্যাট হাতে নিজেদের নামের সুবিচার করতে পারেননি রস টেইলর (৬) ও লুক রঞ্চি (৩)। তবে ২৩ বলে দুই চার ও এক ছয়ে ২৮ রান করে দলীয় সংগ্রহটাকে স্বাস্থ্যসম্মত করেন হার্ড হিটার কোরি অ্যান্ডারসন। তিনি হন স্টোকসের শিকার।

সুপার টেন পর্বে গ্রুপ টু চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিতে নাম লিখিয়েছে নিউজিল্যান্ড। যেখানে চারটি ম্যাচই জিতেছে কিউই শিবির। এর মধ্যে ছিল ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশ। অন্যদিকে গ্রুপ ওয়ান রানার্স হিসাবে সেমির টিকিট পেয়েছে ইংল্যান্ড। প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে হারলেও পরের তিন ম্যাচই জেতে মরগান শিবির।

নিউজিল্যান্ডের সামনে প্রথমবারের মতো টি২০ বিশ্বকাপে যাওয়ার হাতছানি। এর আগে নিউজিল্যান্ড একবারই সেমিফাইনাল খেলেছে। সেটা ২০০৭ সালে। তবে পাকিস্তানের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের অভিজ্ঞতা রয়েছে শিরোপা জেতার। ২০১০ সালে প্রথম ও শেষবারের মতো শিরোপা জিতেছে ইংলিশ শিবির।

নিউজিল্যান্ড একাদশ: গাপটিল, উইলিয়ামসন, মুনরো, টেইলর, অ্যান্ডারসন, ইলিয়ট, রঞ্চি, সান্টনার, ম্যাক্লেনাঘান, সোধি ও মিলনে।

ইংল্যান্ড একাদশ: রয়, হেলস, রুট, বাটলার, মরগান, স্টোকস, মঈন, জর্দান, উইলে, রশিদ, প্লাংকেট।

ওএফ