টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই অনিশ্চিয়তার খেলা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যেন সেই অনিশ্চিয়তাটা নিয়ম করে ফেলেছে নেদারল্যান্ডস। ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল তারা। বাংলাদেশের মাটিতে এবারের বিশ্বকাপেও ফের ইংলিশদেরকে হারাল ডাচরা। সোমবার ৪৫ রানে জিতেছে তারা।
সুপার টেন পর্বে প্রথম তিন ম্যাচে শুধু শ্রীলংকার বিপক্ষে জয় পেয়েছিল ইংল্যান্ড। ফলে এই ম্যাচটিই ছিল তাদের শেষ ম্যাচ। কিন্তু শেষটা যে হার দিয়েই হবে তা হয়তো ভাবেননি স্টুয়ার্ট ব্রোডরা। বিপরীতে আগের তিন ম্যাচেই হেরেছিল গ্রুপ পর্বে চমক দেখিয়ে সুপার টেন পর্বে আসা নেদারল্যান্ডস। সেই চমক দেখিয়েই বিশ্বকাপে ইতি টানল তারা।
এদিন টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং বেছে নেয় ইংল্যান্ড। কিন্তু টসে হারলেও মাইবার্গ ও বারেসির ব্যাটে আশার আলো দেখে নেদারল্যান্ডস। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ৫০ রান সংগ্রহ করেন তারা। ৩১ বলে ৩৯ রান করে বোপারার বলে হ্যালেসের তালুবন্দী হন মাইবার্গ। পরে মাত্র ২ রানের জন্য হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে পারেননি বারেসি। ৪৫ বলে ৪৮ রান করে জরদানের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে যান তিনি। এছাড়া উদ্বোধনী জুটির ৩৪ রানে ১৩ রান অবদান রেখে মাঠ থেকে বিদায় নেন ওপেনার সোয়ার্ট। অন্য ব্যাটসম্যানরা রানের খাতায় দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে না পারলেও ৫ উইকেটের বিনিময় দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ রানে।
জবাবে খেলতে নেমে যেন শুরু থেকেই ব্যাট করা ভুলে গেছে ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ১৮ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ৩২ রানেই শেষ ৪ উইকেট। বাকিরাও যোগ দেয় মাঠ থেকে বিদায় নেয়ার প্রতিযোগিতায়। ফলাফল ১৭.৪ ওভারে মাত্র ৮৮ রানেই ইনিংস গুটিয়ে যায় সাবেক চ্যাম্পিয়নদের। ইংল্যান্ডের পক্ষে ১৮ রান করেন রবি বোপারা। এছাড়া জরদানের ১৪ রান ও হ্যালেসের ১২ রানই ১০ উর্ধ্বো স্কোর। ডাচ বোলার লগান বীক ২ ওভারে ৯ রান দিয়ে ৩টি উইকেট শিকার করেন। ৩.৪ ওভার বল করে মুদাচ্ছের বুখারীও ৩টি উইকেট নেন।
খেলা
সাবেক চ্যাম্পিয়নদেরকে হারাল ডাচরা
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই অনিশ্চিয়তার খেলা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যেন সেই অনিশ্চিয়তাটা নিয়ম করে ফেলেছে নেদারল্যান্ডস। ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে





