বেশ কয়েক দিন ছুটি কাটানোর পর জাতীয় দলের ফিটনেস ক্যাম্প শুরুর দ্বিতীয় দিনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়ন।
সোমবার দ্বিতীয় দিনের ফিটনেস ট্রেনিং শেষে টাইগারদের ফিটনেস নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট মনে হয় জাতীয় ক্রিকেট দলের ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়নকে।
নভেম্বরে জিম্বাবুয়ে সিরেজের পর টানা একমাস বিপিএলে অংশ নেয়ায় শতভাগ খেলার মধ্যেই ছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। বিপিএল শেষ হয়েছে গত ১৫ ডিসেম্বর।
এরপর মাত্র কিছুদিন ছুটি কাটানোর পর আবার ডেরায় ফিরেছেন টাইগার সদস্যরা। এই সময়ের ব্যবধানে তাদের ফিটনেসে খুব বেশি সমস্যা হবার কথা নয়, তারপরেও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছেন সাকিব, তামিমদের ট্রেনার।
‘ছেলেরা অনেকদিন ধরেই খেলার মধ্যে আছে। তাই তাদের ফিটনেস ঘাটতি নেই। তবে, ভালোর কোনো শেষ নেই। চাইলে আরও ফিটনেস বাড়ানো যাবে। আর আমি তাই করবো। কারণ, এবছর বাংলাদেশকে অনেকগুলো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে হবে। আর টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ফিটনেস ভালো থাকলে ফলাফল ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।’
তিনি আরো জানান ‘পেসারদের ইনজুরিতে পরাটা খুব স্বাভাবিক। আপনি বিশ্বের অনেক বড় বড় বোলারদের দিকে তাকান, তারাও ইনজুরিতে পড়ে থাকেন। এটার সাথে ফিটনেস ঘাটতির কোনো সর্ম্পক নেই। আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া মিলিয়ে গেল বছর অনেক ম্যাচ খেলেছে ক্রিকেটাররা। মূলত এ কারণেই ইনজুরির সংখ্যাটাও বেশি।
অনেক আন্তর্জাতিক ম্যাচেই টাইগারদের দুর্বল ফিল্ডিং চোখে পড়ে। ফিটনেস ঘাটতির কারণে তাদের ফিল্ডিং এমন হয় কী না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মারিও জানান, ‘দেখেন ফিল্ডিং মিসের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে হ্যাঁ, ফিটনেস ঘাটতি থাকেল ফিল্ডিং মিস হতে পারে। আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের ফিল্ডিং ভালো।
এআই





