পুরো নাম- মোহাম্মদ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার। জাতীয় দলের অন্যতম সিনিয়র সদস্য। অলরাউন্ডার, কার্যকরী মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ও অকেশনাল অফ স্পিন বোলার হিসেবে খেলেন।
আজ তার শুভ জন্মদিন। ১৯৮৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশের পক্ষে ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান।
এ ছাড়া প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডে বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন এ ব্যাটসম্যান।
শুধু কি ব্যাট হাতে, বল হাতেও বাংলাদেশের জন্য অনেক সময় ত্রাতা হয়ে এসেছিলেন ‘দ্যা গ্ল্যাডিয়েটর’।
২০১৫ সাল, ইংল্যান্ডের মাটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১ম বাংলাদেশী হিসেবে বিশ্বকাপে ছুলেন ৩ অংকের কোটা। ট্রেডমার্ক হয়ে গিয়েছিলো তার উদযাপনটি। শুধু কি একবার, এর আগে ৪ বিশ্বকাপ খেলেও যেখানে শতকের দেখা পায়নি কোন টাইগার ক্রিকেটার, সেখানে ৪ দিনের ব্যবধানে দুই বার সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন দ্যা গ্ল্যাডিয়েটর।
২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কা সফরে ২২ গজে প্রবেশের পর বিশেষ কোন কারণ ছাড়া এখান থেকে বের হতে দেখা যায়নি রিয়াদকে।
দুই বছর পর সাদা পোষাকের অভিষেকটাতো ছিলো আরো রাজকীয়। উইন্ডিজের মাঠে ৫ উইকেট শিকার করে জায়গা করে নেন রেকর্ড বুকে। অভিষেকে ৫ উইকেট নেয়া ৩য় বাংলাদেশী বোলার ছিলেন রিয়াদ।
দেশের হয়ে প্রায় ধারাবাহিকভাবে তিনি পারফর্ম করে যাওয়া রিয়াদ ২০১৪ সালে ভারতের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত প্রথম একদিনের ম্যাচে দশম বাংলাদেশি হিসেবে শততম ওডিআই খেলেন। যেখানে এখন পর্যন্ত থেমে নেই তার ব্যাট ও বল।
১৮৫ ম্যাচ খেলে ওডিআই ক্যারিয়ারে তার ঝুলিতে জমেছে তিন হাজার ৯৯৪ রান। তিনটি শতকসহ ২১টি অর্ধশতক রয়েছে তার এ রান ভাণ্ডারে। ব্যাটিং গড় ৩৩.৮৪। উইকেট পেয়েছেন ৭৬টি।
৮৫ টি-টোয়েন্টি খেলে করেছেন এক হাজার ৪৬১ রান করেছেন। উইকেট পেয়েছেন ৩১টি। আর টেস্টে ৪৮ ম্যাচে ৩২ এর উপরে গড়ে রান করেছেন দুই হাজার ৭৩৯। উইকেট শিকার করেন ৪৩টি।
জন্মদিনের দিনে পাকিস্তান সফরে গিয়ে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে আরো একটি সাফল্য যোগ করবেন রিয়াদ, এমন প্রত্যাশাই তার ভক্তদের।
এএস





