জার্মান লিগ বুন্দেসলিগা চলতি মৌসুমে যেন এক দলের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। মৌসুমে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচেই হারের মুখ দেখেনি বায়ার্ন মিউনিখ। এমন দলটির বিপক্ষে শনিবার মাঠে নেমেছিল উল্ফসবার্গ। নিজেদের মাঠে প্রথম গোলটি করে জয়ের স্বপ্নই দেখেছিল তারা। কিন্তু হেরেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে দলটিকে। তাও কম নয়। ৬-১ গোলের ব্যবধানে।
এই জয়ের ফলে শীর্ষস্থানটি আরো মজবুত করেছে বায়ার্ন মিউনিখ। ২৪ ম্যাচে ৬৮ পয়েন্ট অর্জন করে দ্বিতীয় স্থানে থাকা বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের চেয়ে ২৩ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে কোচ পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। সেই এবারের মৌসুমে টানা ১৬ ম্যাচে এবং এখন পর্যন্ত ৪৯ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড অব্যাহত রাখলো তারা।
লিগে এখনো নিজেদের ১০ ম্যাচ বাকি রয়েছে। কিন্তু ইতোমধ্যেই ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নদের নিজেদের শিরোপা ধরে রাখা অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গেছে। ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়ন উল্ফসবার্গের বিপক্ষে টানা ষষ্ঠ জয়ে কার্যত বায়ার্নের সামনে এখন শিরোপা অর্জন সময়ের ব্যপার মাত্র। এছাড়া এই জয় মঙ্গলবার আর্সেনালের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ১৬’র দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে বাড়তি অনুপ্রেরণা যোগাবে। ইতোমধ্যেই প্রথম লেগে ২-০ গোলে জিতে এগিয়ে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
এই ম্যাচে ১৭ মিনিটে নালদোর গোলে উল্ফসবার্গই প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বুন্দেসলিগায় রেকর্ড ২৪তম শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে নিজেদের ম্যাচে ফিরিয়ে আনতে খুব একটা সময় নেয়নি বেভারিয়ান্সরা। ২৬ মিনিটে শাকিরির গোলে সমতা ফেরায় বায়ার্ন। প্রথমার্ধ ১-১ গোলে শেষ হবার পরে দ্বিতীয়ার্ধ পুরোটাই জুড়ে ছিল বায়ার্ন স্ট্রাইকারদের সাফল্য। ৬৩ ও ৭৮ মিনিটে থমাস মুলারের দুই গোলের সাথে সাবেক উল্ফসবার্গ স্ট্রাইকার মারিও মানজুকিচ ৬৬ ও ৮০ মিনিটে করেছেন দুই গোল। মাঝে ৭১ মিনিটে অবশ্য ফ্র্যাংক রিবেরি এক গোল করেন। ইনজুরির কারনে এক মাস মাঠের বাইরে থাকার পরে কাল মাঠে ফিরেই রিবেরি গোল পেলেন। এই নিযে চলতি মৌসুমে ২০টি ম্যাচে পেপ গার্দিওলার দল দ্বিতীয়ার্ধে পাঁচ গোল করলো। শীতকালীন ছুটির পরে পুনরায় শুরু হওয়া বুন্দেসলিগায় আট ম্যাচে বায়ার্নের গোলসংখ্যা এখন ৩০।
খেলা
গোল বন্যা বায়ার্নের
জার্মান লিগ বুন্দেসলিগা চলতি মৌসুমে যেন এক দলের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। মৌসুমে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচেই হারের মুখ দেখেনি বায়ার্ন মিউনিখ। এমন দলটির বিপক্ষে শনিবার মাঠে নেমেছিল উল্ফসবার্গ।





