আগের দুই ম্যাচেই প্রথমে ব্যাট করে রানের বন্যা বইয়ে দিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। দুটিতেই তাদের সংগ্রহ ছিল দুইশ’র ওপরে। তবে শুক্রবার নাগপুরের স্পিন-বান্ধব পিচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দেড়শও করতে পারল না প্রোটিয়ারা।
১২২ রানের স্বল্প পুঁজি নিয়েও অবশ্য লড়াই করেছিল ফাফ ডু প্লেসিসের দল, তবে জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি। টানা তৃতীয় জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এদিন ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৩ উইকেটের।
নাগপুরে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২২ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪৭ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলটিকে ১২২ রানের পুঁজি এনে দেন মূলত কুইন্টন ডি কক। ওপেনিংয়ে নেমে ষষ্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে ৪৭ রান (৪৬ বলে) করেন এই বাঁহাতি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮ রান আসে ডেভিড ভিসের ব্যাট থেকে।
২০১৪ বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বল হাতে নেওয়া ক্রিস গেইল ১৭ রানে ২ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা বোলার। এ ছাড়া ডোয়াইন ব্রাভো ২০ রানে ও আন্দ্রে রাসেল ২৮ রানে ২ উইকেট নেন।
বল হাতে দারুণ করলেও এদিন ব্যাট হাতে ব্যর্থ গেইল। ১২৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে এক চার মেরেই কাগিসো রাবাদার বলে বোল্ড হন ক্যারিবিয়ান ব্যাটিং-দানব।
এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও ২ বল বাকি থাকতে ৩ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্যে পোঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেষ দুই ওভারে যদিও ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রয়োজন ছিল ২০ রান। তবে জয় তুলে নিয়ে তেমন একটা সমস্যা হয়নি তাদের।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন মারলন স্যামুয়েলস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২ রান আসে জনাথন চার্লসের ব্যাট থেকে। ১৩ রানে ২ উইকেট নেন দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার ইমরান তাহির। ১৭তম ওভারে পর পর দুই বলে আন্দ্রে রাসেল ও ড্যারেন সামিকে ফিরিয়ে তাহিরই যা একটু রোমাঞ্চের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
এম আর





