চলে গেলেন মুমিনুল হকও। স্বাগতিকদের রানের পাহাড় টপকানোর আগে বাংলাদেশের সামনে প্রথম কাজ হলো ফলোঅনের গ্যাড়াকল এড়ানো। আর সেজন্য দরকার আরো ৭০ রানের। ওই কাজটি আরো কঠিন করে মুমিনুল হকও বিদায় নিয়েছেন। অথচ সেঞ্চুরির স্বপ্ন জাগিয়ে তিনি বাংলাদেশকেও আশাবাদী করে তুলেছিলেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সামনে রানের পাহাড় দাঁড় করায় স্বাগতিকরা। ৪৯৬ রানর এ পাহাড় টপকাত শুরু থেকেই হিমশিম খেতে হয়েছিল সফকারীদের। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬৩.৩ ওভারে ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে ২২৭ রান। ক্রিজে আছেন মাহমুদউল্লাহ্ (৩০) ও সাব্বির রহমান (০)। প্রোটিয়াদের থেকে ২৬৯ রানে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশের চাই ৭০ ফলোআন এড়াতে রান।

এর আগে পচেফস্ট্রম টেস্টে তৃতীয় দিন শুরু করেছিল আগের দিনে অপরাজিত থাকা দুই টাইগার ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল (২২) ও মুমিনুল হক (২৮)। আইসিসর আইনে আটকে যাওয়া তামিম তৃতীয় দিনে ব্যক্তিগত স্কোর বোর্ডে ১৭ রান যুক্ত করতেই আন্দিলে ফিকোয়াও বলে কুইন্টন ডি ককে তালু বন্দি হন তামিম।

তামিমের বিদায়ের পর মাহমুদউল্লাহর সাথে জুটি বাঁধেন মুমিনুল। ব্যাক্তিগত ৪৮ রানে থেকে প্রোটিয়া স্পিনার কেশব মহারাজকে মিড অন দিয়ে চার হাঁকিয়ে তুলেনেন ক্যারিয়ারে ১২তম অর্ধশতক। মুমিনুলের ব্যাটে ফলোআন এড়ানোর স্বপ্নও দেখছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ৭৭ রানের মুমিনুল ইনিংস থামিয়ে দেয় মহারাজ। মার্করামের তালু বন্ধি হয়ে সাজ ঘর ফিরেন এ লিটল মাষ্টার।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১২৭/৩ (মাহমুদউল্লাহ্ ৩০*, সাব্বির ০*, মুমিনুল ৭৭, তামিম ৩৯, মুশফিক ৪৪, লিটন ২৫, ইমরুল ৭)

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংস: ৪৯৬/৩ ডিক্লে. (এলগার ১৯৯, আমলা ১৩৭, মার্করাম ৯৭, বাভুমা ৩১*, ডু প্লেসি ২৬*; শফিউল ১/৭৪, মুস্তাফিজ ১/৯৮।

এমএ