দুর্দান্ত গতিতে উপর্যুপরি তিন জয় নিয়ে প্রথম দল হিসেবে এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠে গেল ভারত। মঙ্গলবার (১ মার্চ) মিরপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তারা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কাকে ৫ উইকেটে পরাজিত করেছ। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা করে ৯ উইকেটে ১৩৮ রান। জবাবে ভারত ৪ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয়।
এই ম্যাচেও জয়ের নায়ক ছিলেন বিরাট কোহলি। তিনি ৪৭ বলে অপরাজিত ৫৬ রান করেন। এছাড়া যুবরাজ সিং ৩৫, সুরেশ রায়না ২৫, রোহিত শর্মা ১৫ রান করেন।
এর আগে এশিয়া কাপ টুয়েন্টি টুয়েন্টি ক্রিকেটের সপ্তম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ৯ উইকেটে ১৩৮ রান সংগ্রহ করে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলংকা। ফলে ম্যাচ জয়ের জন্য ১৩৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে হয় ভারতকে।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং বেছে নেয় ভারত। ব্যাটিং-এ নেমে শুরুটা ভালো না হলেও, মিডল-অর্ডার ও লোয়ার-অর্ডার ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তায় লড়াকু স্কোর পায় শ্রীলংকা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩২ বলে ৩০ রান করেন চামার কাপুগেদেরা।
এছাড়া মিলিন্দা সিরিবর্ধনে ২২, অধিনায়ক এ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ১৮, থিসারা পেরেরা ৬ বলে ১৭ ও নুয়ান কুলাসেকেরা ৯ বলে ১৩ রান করেন। ভারতের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন জসপ্রিত বুমরাহ, হার্ডিক পান্ডে ও রবীচন্দ্রন অশ্বিন।
এর আগে মিরপুরের সবুজ পিচে টস হেরে ব্যাট করার ‘দুর্ভাগ্য’ মেনে নিতে হলো শ্রীলঙ্কাকে। শুরুতেই পুনরুজ্জীবিত আশিষ নেহরার সুইং ও উজ্জীবিত জসপ্রিত বুমরার গতির সামনে পড়ে নড়ে গেল লঙ্কান ওপেনিং।
তৃতীয় ওভারে চান্ডিমাল আউট হলেন নেহরার বলে, পরের ওভারেই বুমরার শিকার শেহান জয়াসুরিয়া। এশিয়া কাপে যেন একটা নীতি মেনেই বোলিং করছেন বুমরা—প্রতি ম্যাচেই চতুর্থ ওভারে উইকেট। মজার ব্যাপার, বাংলাদেশ ম্যাচে এই বাঁহাতি পেসার উইকেট পেয়েছেন ৩.২ ওভারে, পাকিস্তান ম্যাচে ৩.৩, শ্রীলঙ্কা ম্যাচে ৩.৪!
ধারাপাত মেনে বুমরা আর নেহরার ‘নিয়মমাফিক’ পাওয়ার প্লের উইকেটের পরে শ্রীলঙ্কান ইনিংসের গল্পটা শুরু করেও টেনে নিতে না পারার আক্ষেপের। দিলশান, কাপুগেদারা, ম্যাথুস—দলের তিন মূল ব্যাটসম্যান ‘ওয়ানডে’ গতিতে ব্যাট করে বিশ-ত্রিশের ঘরে আউট হয়ে গেছেন।
দল :
ভারত : মহেন্দ্র সিং ধোনি (অধিনায়ক) বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, আশীষ নেহরা, যুবরাজ সিং, জসপ্রিত বুমরাহ, সুরেশ রায়না, হার্ডিক পান্ডে, রবীন্দ্র জাদেজা, রবি চন্দ্রন অশি^ন, শিখর ধাওয়ান।
শ্রীলংকা : এ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ (অধিনায়ক), দিনেশ চান্ডিমাল, দুশমন্ত চামিরা, তিলকরত্তে দিলশান, রঙ্গনা হেরাথ, শেহান জয়াসুরিয়া, নুয়ান কুলাসেকারা. চামারা কাপুগেদারা, দাসুন শানাকা, থিসারা পেরেরা, মিলিন্দা সিরিবর্দেনে।
কেবি





