হাথুরুসিংহে থাকাকালীন জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেয়াই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল যেই টাইগারের।  সেই টাইগার কিন্তু দলে এসেই সেঞ্চুরি তুলে নিলেন। সে আর কেউ নয় জাতিয় দলের মুমিনুল হক।

তার ব্যাটে আগের সেই শিল্প। মাটি কাঁমড়ানো শট। এ যেন হাথুরুর অবজ্ঞার জবাব। লঙ্কান বোলারদের প্রতিটি বল দেখেশুনে খেলে নিজের ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি তুলে নিলেন মুমিনুল হক।

এ প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশের স্কোর: ২৪২/২। ১০২ রান করে অপরাজিত আছেন মুমিনুল। ৪৪ রান নিয়ে ব্যাট করছেন মুশফিকুর রহিম।

সেঞ্চুরি করতে তিনি ৯৬ বল মোকাবেলা করেছেন। পয়েন্ট অব ডায়নামো খ্যাত মুমিনুল ১৩টি চারের সাহায্যে তিনি এই রান সংগ্রহ করেন।

লাঞ্চের ঠিক একটু আগে হতাশ করে ফিরেছিলেন ইমরুল কায়েস। মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে সেই হতাশা কাটিয়ে উঠছেন মুমিনুল হক। দারুণ খেলছেন তারা। বড় জুটি গড়ে তোলার ইঙ্গিত দিচ্ছেন।

এর আগে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ (বুধবার) টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলপতি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। দারুণ সূচনা করেন দুই ওপেনার তামিম-ইমরুল। উদ্বোধনী জুটিতে তারা তোলেন ৭২ রান।

ক্যারিয়ারের ২৫তম ফিফটি তুলে বড় ইনিংসের আভাস দিচ্ছিলেন তামিম। তবে শেষ পর্যন্ত হার মানেন তিনি। দিলরুয়ান পেরেরার অসাধারণ কুইকারে বোল্ড হয়ে ফেরেন ড্যাশিং ওপেনার। ফেরার আগে ৫৩ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় করেন৫২ রান।

তামিমের বিদায়ের প্রভাব দলের ওপর পড়তে দিচ্ছিলেন না ইমরুল-মুমিনুল। দুজনই দ্রুত রান তুলছিলেন। তাদের ব্যাটে এগোচ্ছিল বাংলাদেশও। কিন্তু ভালো খেলতে খেলতে হঠাৎই খেই হারিয়ে ফেলেন ইমরুল। লক্ষণ সান্দাকানের এলবিডব্লিউর শিকার হয়ে ফেরেন এ বাঁহাতি ওপেনার (৪০)।

বাংলাদেশ দল: তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, লিটন দাস, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, সানজামুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান।  

এমবি